জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার এমপি’র বিরুদ্ধে বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদ অর্জন, অবৈধভাবে জমি দখল এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পৌনে ৩ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স ফাঁকিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক চেয়ারম্যান মো: বদিউজ্জামান গতকাল মঙ্গলবার এবিএম রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত নানা অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক কর্মকর্তা টাইমনিউজবিডিকে জানান , জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, জবর দখল এবং ট্যাক্স ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে।
গত ২ এপ্রিল দুদকের চেয়ারম্যানের নজরে আনার হয় রহুল আমিনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত বিপুল পরিমান (অবৈধ) সম্পদ অর্জন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল এবং হোল্ডিং ট্যাক্সসহ কর ফাঁকির বিষয়টি। দুদক চেয়ারম্যান গত ৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বিষয়টি সরেজমিন অনুসন্ধান এবং যাচাই বাছাইয়ের নির্দেশ দেন। শিগগিরই এই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ হচ্ছে বলে জানা যায়।
অভিযোগ রয়েছে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কেআর ফ্যাশন পটুয়াখালী, কুয়াকাটায় পর্যটন এলাকা, রাজধানী বাডাডাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে কয়েক একর জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে হাতির ঝিল প্রকল্পের কর্মকর্তারা বাড্ডা এলাকায় রুহুল আমিনের কাছ থেকে কিছু জমি উদ্ধার করে নিয়েছেন।
এছাড়া রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পএলাকায় তার ‘মেটাল প্রোডাক্ট নামে বিশাল শিল্প কারখানা রয়েছে। ১৯৭৬ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ওই শিল্প কারখারার হোল্ডিংট্যাক্স (সিটি করপোরেশনের) বকেয়ার রয়েছে প্রায় পৌনে ৩ কোটি টাকা। তিনি গত ৯ম এবং ১০ম জাতীয় নির্বাচনে এই শিল্প কারখানার ট্যাক্স ফাঁকির বিষয়টি গোপন রেখেছেন।
এছাড়া গুলশান-২ নম্বর এলাকায় তার বাসভবন কাম মার্কেট ‘ হাওলাদার কমপ্লেক্স’ ১৯৯৬ সাল থকে ২০০৮ পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স প্রায় ৫০ লাখ টাকা বকেয়া থাকা সত্বেও ৯ম জাতীয় নির্বাচন মিথ্যো তথ্য দিয়েছেন হলফ নামায়। ওই নির্বাচনে তিনি বিজয়ী ৫ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন।
তবে ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রহুল আমিন হাওলাদার তার ওই বাসভবনের ‘হাওলাদার কমপ্লেক্সের ১৭ বছরের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স প্রায় ৫৯ লাখ টাকা একত্রে পরিশোধ করেন বলে জানান সিটি করপোরেশেনের সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা।
এদিকে জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের মুঠো ফোনে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। জসিম উদ্দিন নামে হুরুল আমিন হাওলাদারের এক স্টাফ জানান, স্যার ব্যাস্ত আছেন । এখন কথা বলবেন না।
[b]ঢাকা, একে, ৯ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ[/b]
জাপা মহাসচিব হাওলাদারের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক
জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার এমপি’র বিরুদ্ধে বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদ অর্জন, অবৈধভাবে জমি দখল এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পৌনে ৩ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স ফাঁকিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
জাপার সাবেক এমপি জিন্নাহ ডিবির হাতে গ্রেপ্তার
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর বিশেষ অভিযানে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি বগুড়া জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও বগুড়া-২ শিবগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল আলম জিন্নাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রংপুরের ৬টি আসনে জামায়াত জোটের ছক্কা, জাপার দুর্গ তছনছ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদলে রংপুরে বড় ধরনের চমক দেখিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী। এরশাদের হাতেগড়া জাতীয় পার্টির দুর্গ তছনছ করে এবার একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে জামায়াতের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
মার্চ টু ইলেকশন কমিশন কর্মসূচিতে জুলাই ঐক্য ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিক ও জাপাসহ ১৪ দলের প্রার্থীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি
ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিক ও জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচি পালন করছে জুলাই ঐক্য।
বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে চায় জাপা!
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী কিংবা জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মতো দলগুলো যখন নির্বাচনি মাঠে ব্যস্ত, তখন ভোটে অংশ নেওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মিত্র জাতীয় পার্টি। অনিশ্চয়তা থাকলেও এরই মধ্যে ভেতরে ভেতরে প্রার্থী বাছাই ও নির্বাচনি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে দলটি। তারা বলছে, শেষ পর্যন্ত যদি ভোটে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে 'গ্রিন সিগন্যাল' মেলে, তাহলে জোরেশোরে মাঠে নামবে তারা। দলটির ইচ্ছা- এককভাবে নির্বাচনের চাইতে জোটগতভাবে ভোটে অংশ নেওয়া। সেক্ষেত্রে বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামী যেকোনো একটি দলের সাথে জোটে যেতেও আগ্রহী দলটি।
`জাপা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর'
জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গে কোনো আলোচনা বা সমঝোতার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, ‘জাপা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর, তাই তাদের সঙ্গে কোনোভাবেই এক টেবিলে বসা যায় না।’
















