সিরাজগঞ্জে প্রথম দফায় রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করে অনড় অবস্থায় প্রচারণা শুরু করায় দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।
বড় দু’দলের টানাপড়েনে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জামায়াত। বিগত উপজেলা নির্বাচনে রায়গঞ্জে জামায়াত চেয়ারম্যান পদ দখল করে নেয়। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসহাক হোসেন তালুকদারের নেতৃত্বে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাদি আলমাজি জিন্নাহকে একক প্রার্থী ঘোষণা করলেও সবাই তা মেনে নেননি।
এক পর্যায়ে এমপিকে অবরুদ্ধ করে রাখা ছাড়াও বিক্ষুব্ধরা উত্তরবঙ্গ মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এ অবস্থায় চেয়ারম্যান পদের জন্য বর্তমান সভাপতি ছাড়াও সাবেক সভাপতি রইস উদ্দিন জয়নাল তার প্রচারণা জোরেশোরে চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিএনপি থেকে এখনও একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করা হলেও আতাউর রহমান তালুকদার, নুর সাঈদ সরকার, শামসুল ইসলাম তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন। বাছাইকালে বিএনপির অপর প্রার্থী আয়নুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এ অবস্থায় বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান, জামায়াত প্রার্থী এ বিএম আবদুস সাত্তার সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। রায়গঞ্জে জামায়াতের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। পৌরসভা নির্বাচনেও জামায়াত এখানে মেয়র পদ দখল করে তার শক্ত অবস্থানের কথা জানান দিয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী জটিলতা-সংক্রান্ত ব্যাপারে যোগাযোগ করলে জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা ৩ ফেব্র“য়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই নিজ নিজ দলের একক সর্বসম্মত প্রার্থী নির্ধারণ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
[b]ঢাকা, 2 ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) //ইএইচ[/b]