সব ধরণের চাপ ও রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষ থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
একই সঙ্গে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল’ গঠন করতেও নির্দেশ দেয়া হয়।
ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মিহির সারওয়ার মোর্শেদ স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র নির্বাচনী এলাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে বলেও নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচন কমিশনের পাঠানো ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিশেষ কোনো মহলের কেনো প্রকার প্রভাব বা হস্তক্ষেপ নির্বাচনের নিরপেক্ষতা যাতে ক্ষুণ্ম না করতে পারে, তা আইন বিধিমালা ও আচরণ বিধিমালার আলোকে নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচনের ন্যায় একটি সংবেদনশীল, স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এমন কোনো কাজ যেন না করেন, যার দ্বারা তাদেরকে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় জনগণের নিকট হেয় প্রতিপন্ন হতে হয়।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে তা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।
এ অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক এক বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
এ বিধান কার্যকর করার জন্য প্রার্থিতা প্রত্যাহার দিন হতে প্রতি উপজেলায় একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট গঠন করা হবে।
এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে রিটার্নিং অফিসার, জেলা নির্বাচন অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘নির্বাচন মনিটরিং টিম’ গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
টিম গঠন করে সদস্যের তালিকা নির্বাচন কমিশন সচিবলায়ে পাঠাতে হবে। ওই টিম নির্বাচন সংক্রান্ত আইনবিধি, নির্বাচনী আচরণবিধি এবং নির্বাচনের সার্বিক বিষয় যাথাযথভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা তদারকি করবে বলেও উল্লেখ করা হয় পরিপত্রে।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকান্ড সমন্বয় করতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল’ গঠন করতে নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
এ সেলের সদস্য থাকবেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার, জেলা নির্বাচন অফিসার, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি ও সহযোগী আইশৃঙ্খলার মনোনিত কর্মকর্তারা। এসব সদস্যের তালিকাও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।
আগামী ১৯ ফেব্রেুয়ারি চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দফায় ৯৮টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সব উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ৬৯৯২টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। ৩ ফেব্রুয়ারি দাবি-আপত্তি নিষ্পতি শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা।
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (টাইম নিউজবিডি.কম)//জিইউ / জিই[/b]
শ্রেণীহীন
কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ ইসির
সব ধরণের চাপ ও রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষ থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।





