প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদের অনুপস্থিতিতে অন্য কাউকে এ দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে,স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সিইসি সোমবার মাসব্যাপী ব্যক্তিগত সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইনসের টিকেট-৭১৩ নম্বর ফ্লাইটযোগে নিউইয়র্কের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।
মাসব্যাপী সফরে সিইসি যুক্তরাষ্ট্র থাকবেন। এর পরই এপ্রিলের শুরু থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত তিনি নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা প্রকল্পবিষয়ক কাজে আরও প্রায় ১৫ দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন।
সব মিলিয়ে সিইসি ব্যক্তিগত সফরসহ প্রায় দেড় মাস দেশের বাইরে থাকবেন। তবে এপ্রিলের শুরুতে নির্বাচন কমিশনের প্রকল্পবিষয়ক কাজে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিবসহ প্রকল্প পরিচালকও যাওয়ার কথা রয়েছে।
কমিশন সুত্রে জানা গেছে,২ মার্চ সফর নিয়ে সিইসির স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে- ‘৩ মার্চ থেকে আমি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করব। আমি না ফেরা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন।’
তবে ওই অফিস আদেশে সিইসি কত দিনের সফর গেছেন বা কবে দেশে ফিরবেন তা উল্লেখ করা হয়নি। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন- সারা দেশে যখন কয়েক ধাপে উপজেলা নির্বাচন চলছে,এমন সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিদেশ সফর জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করবে।
এমনকি সিইসির অনুপস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয়ে নির্বাচন বিশ্লেষক,সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, একদিকে দেশে চলছে উপজেলা নির্বাচন অন্যদিকে সংরক্ষিত আসনেরও নির্বাচন রয়েছে। এমন সময় সিইসি দেশে থেকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করলে উত্তম হতো।
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে যখন বিতর্ক উঠেছে,তখন নির্বাচন সুষ্ঠু করা নিয়ে কমিশনের মনোযোগী হওয়া উচিত ছিল। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন সিইসির অনুপস্থিতিতে অন্য কাউকে সিইসির দায়িত্ব এককভাবে সিইসি দিতে পারেন না।
এ জন্য কমিশনের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে হবে। সিইসির দেড় মাসের বিদেশ সফর নিয়ে রবিবার রাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের আজকের সংবাদপত্র অনুষ্ঠানে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন,এর আগে এ রকম হয়েছে বলে মনে তো পড়ে না।
তবে প্রশ্ন আসবে উনার জায়গায় কে দায়িত্ব পালন করবেন তা নিয়ে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার একজন নির্বাচন কমিশনারকে দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন বলে এর আগে একটি মামলা হয়েছিল।
ওটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল- উনি এভাবে দায়িত্ব দিয়ে যেতে পারেন কি না? তবে যত দূর মনে পড়ে কোর্ট বলেছিলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অনুপস্থিতিতে তিনি কাউকে এভাবে দায়িত্ব দিয়ে যেতে পারেন না।
শাহদীন মালিক বলেন,হতে পারে সিইসির ছুটি পাওনা ছিল কিন্তু এটা তো ঠিক সময় নয়। জনমনে এটা নিয়ে প্রশ্নের উদ্রেক হচ্ছে। তবে তিনি কেন দেড় মাসের জন্য গেছেন তা নিয়ে ইসির পক্ষ থেকে একটা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আসা উচিত ছিল।
সিইসির লম্বা অনুপস্থিতিতে কে সিইসির দায়িত্ব পালন করবেন সরকারের পক্ষ থেকে একটি গেজেট করে তার সিদ্ধান্ত জানানো দরকার ছিল বলে মনে করেন তিনি।
[b]ঢাকা,এএ্,৪মার্চ,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
সিইসির লম্বা ছুটিতে জনমনে প্রশ্ন
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদের অনুপস্থিতিতে অন্য কাউকে এ দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। ইসি সূত্র জানিয়েছে,স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সিইসি সোমবার মাসব্যাপী ব্যক্তিগত সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, পুরো নির্বাচনি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চায়।
আন্দোলনকারীরা ভারতের সিইসি’র পদত্যাগ চাইছেন কেন !
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম ঘিরে বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার হারিয়েছেন লাখ লাখ নয়, বরং কয়েক কোটি যোগ্য ভোটার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলিম রয়েছেন।
সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা সিজেপির
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। আন্দোলনকারীরা বলছে, শুধু সিইসির পদত্যাগ নয়, নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
সিইসির পদত্যাগ ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়া অর্থহীন: অভিজিৎ দীপকে
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এমনকি ভোটের ফল আগেই নির্ধারণ করে রাখার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নারীদের অংশগ্রহণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ। এজন্য নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
















