নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা: গত ২ দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচনী ভোট কেন্দ্রে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একইসাথে চলছে নির্বাচন বাতিল ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের হরতাল ও অবরোধ।
এদিকে, রংপুর, দিনাজপুর ও নীলফামারীসহ দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।
এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এরমধ্যে শুধু রংপুর ৪ আসনেই ৪০টি,যশোরের মনিরামপুরে ৬টি এবং লক্ষ্মীপুরে ৪টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
আর এমনই প্রেক্ষাপটে দেশের ১৪৭টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৮টা থেকে। প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ভোটার রয়েছে এসব ভোট কেন্দ্রে।
এদিকে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য থেকে জানা গেছে, অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে।
একদিকে, একতরফা নির্বাচনে ভোট দানে অনেকেরই নেই আগ্রহ। অন্যদিকে, গত কয়েকদিনের সহিংস ঘটনার প্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রে যেতে সাহস পাচ্ছেন না অনেকেই।
এবারের নির্বাচনে ৫১ শতাংশ ভোট পড়লেই এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে বলে এরইমধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের এমন দাবির জবাবে বিরোধী দলও চেষ্টা করছে যাতে কোনমতেই ৫১ শতাংশ ভোট না পড়ে।
এদিকে, ঢাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সকাল পোনে ১০টার দিকে খোঁজ নিয়েও দেখা গেছে কোন কোন ভোটকেন্দ্রে একজন ভোটারও উপস্থিত হননি।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ৮ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩ জন। ওই নির্বাচনে গড় ভোট পড়ে ৮৭.১৩ শতাংশ। অপরদিকে, দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় এক কোটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯শ ৭৭ জনে।
তবে বিরোধী দলবিহীন একতরফা এই নির্বাচনে এরই মধ্যে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।