বিড়ি-সিগারেটের শুল্ক বৈষম্য কমানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ভিআইপি লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহবান জানান সমিতির নেতৃবৃন্দ।
পক্ষপাত এবং বৈষম্য মূলক শুল্ক নীতির মাধ্যমে শ্রমঘন কুটির শিল্প বিড়িকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিউদ্দিন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বিড়ির ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু সিগারেটের ওপর কোনো শুল্ক আরোপিত হয়নি। এ কারণে বর্তমান বাজারে সবচেয়ে কম দামি সিগারেট ও বিড়ির দাম সমান। এজন্য স্বল্প আয়ের মানুষ বিড়ি ছেড়ে সিগারেট ধরেছেন। বিড়ির উপর কর বৃদ্ধি হলে বিড়ি ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাবে। এতে উপমহাদেশের প্রায় দুইশত বৎসরের ঐতিহ্যবাহি কুটির শিল্পটি ধ্বংস হয়ে যাবে। আর এর সঙ্গে জড়িত প্রায় বিশ লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, বিড়ি শিল্প হারিয়ে যাওয়ার ফলে সরকার তার রাজস্ব হারাচ্ছে। শ্রমিকরা হারাচ্ছে তাদের জীবিকা। আর এসব শ্রমিকদের মধ্যে অধিকাংশই নারী। যাদের বেশির ভাগই বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, বয়স্ক ও শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী।
তাই বিড়ি শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিড়ির ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বাতিল ও দশ শলাকার সিগারেটের মূল্য কমপক্ষে ৪০ টাকা করার দাবি জানান তিনি।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিড়ি শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি বিজয় কৃষ্ণ দে, গফুর বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক নাদির হোসেন, কিশোরগঞ্জ সবুজ বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক রতন কুমার প্রমুখ।
এদিকে প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ মানববন্ধন করেছে। সংগঠনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালীর সভাপতিত্বে বক্তব্যে রাখেন শাহাবুদ্দিন আহমেদ, আব্দুর রহমান ও লুৎফুর রহমান প্রমুখ।
ঢাকা, এইচএম, ১৪ মে (টাইমনিউনজবিডি.কম) // জেডআই
শ্রেণীহীন
বিড়ি-সিগারেটের শুল্ক বৈষম্য কমানোর আহবান
বিড়ি-সিগারেটের শুল্ক বৈষম্য কমানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ভিআইপি লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহবান জানান সমিতি





