[b]ঢাকা: [/b]হালাল খাদ্যের মূল কেন্দ্রস্থল হয়ে ওঠার জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুবাই। এজন্য শিগগিরই তারা হালাল খাবারের মান পরিমাপের জন্য আন্তর্জাতিকমানের মান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে। দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির মহাপরিচালক হোসেইন নাসির লোথ এ তথ্য জানান।
এ কেন্দ্রটির দায়িত্বে থাকবেন সালেম বিন মেসমার। তিনি বর্তমানে স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ বিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। লোথ আরো জানান, এ কেন্দ্রটির মূল দায়িত্ব থাকবে খাবারের সঙ্গে ইসলামী নীতিবিরোধী কোনো রাসায়নিক ও উপাদান মিশ্রিত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা। মূলত হালাল খাদ্য সরবরাহে বিশ্বে শীর্ষস্থানে উঠে আসার জন্যই এ কেন্দ্রটি খুলছে দেশটি।
মেসমার জানান, এ কেন্দ্রটি চালু হলে দুবাইয়ে এ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসা আরো সম্প্রসারিত হবে, যা ক্রমেই স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়বে। বিশ্বব্যাপী হালাল খাবারের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এ বাস্তবতায় দুবাই বিশ্ববাসীকে এ ধরনের মানদণ্ডে উন্নীত খাদ্য সরবরাহের জন্য প্রস্তুত বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি একই মানদণ্ডে উন্নীত আরো বেশ কয়েকটি পণ্য সরবরাহের কথাও জানান মেসমার, যার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য ও প্রসাধনী।
সাম্প্রতিক দিনগুলোয় ইসলামী অর্থনীতি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চলতি বছর এর আকার ২ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এ অর্থনীতি বছরে গড়ে ২০-২৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। গত বছর বিশ্বে    ইসলামী অর্থনীতির আকার ছিল ১ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
উদীয়মান দেশগুলোর মুসলমানরা হালাল খাদ্যের প্রধান গ্রাহক। ২০১২ সালে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৪ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার। সূত্র:অ্যারাবিয়ান বিজনেস
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]