নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের আরেক এরশাদ শিকদার খ্যাত নূর হোসেনের ৫জন স্ত্রী রয়েছে। এরশাদের মত যাকে চোখে ধরেছে তাকেই বিয়ে করেছে সে। এর বাইরেও নূরের ছিল অসংখ্য নারীর সাহচার্য।
নূরের ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করেন, নূর হোসেনের ৫ স্ত্রীর মধ্যে প্রথম স্ত্রী লিলির বাড়ি ঢাকার মিলব্যারাক এলাকায়। সে এখন নূরের সংসারে নেই।
দ্বিতীয় স্ত্রী লিপির বাড়ি নারায়ণগঞ্জের খানপুরে। তার সংসারে বিপ্লব নামের এক ছেলে ছিল। কলেজ পড়ুয়া এ ছেলে বাপের বসানো মদের দোকান থেকে অত্যাধিক মদ পান করতে করতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নিয়েও তাকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। মদ খেতে খেতেই কিছুদিন আগে নির্মমভাবে তার মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুকে এলাকাবাসী ও পিতার পাপে পুত্রের মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেন।
তৃতীয় স্ত্রী পারুলের বাড়ি ডেমরার সারলিয়ায়। সেও এখন নূরের সংসারে নেই। চতুর্থ স্ত্রী কাঁচপুরের রুমা। তার সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। রুমার সঙ্গেই সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে বসবাস করতেন নূর। ৭ অপহরণ ও খুনের মামলার পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পলাতক আছেন নূর হোসেন।
পঞ্চম স্ত্রী রাধার বাড়ি ভারতের কলকাতার সদর স্ট্রিটে। ২০০১ থেকে প্রায় ৬ বছর ভারতে পালিয়ে থাকার সময় গোপাল নাম ধারণ করে রাধাকে বিয়ে করেন নূর হোসেন।
নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র নূর হোসেনের অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করলে হবে না মামলার অপর ৫ আসামীর অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করতে হবে। নূর হোসেনের সম্পদ শুধু দেশেই নয় কোলকাতা, লন্ডন বহু দেশেই রয়েছে। সে এক বউকে সাথে করে নিয়ে গেলেও ৬ জনকে রেখে গেছে। যার মধ্যে নীলা অন্যতম। নীলাকে পুলিশ আটক করলেও ২ ঘন্টার বেশী রাখতে পারে নাই। নূর হোসেন তার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করে ১০০ গরু জবাই করে খাইয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে আবার ডিসি, এসপি গিয়েছিল।
রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদালতে এম এম রানার রিমান্ড শুনানী শেষে আদালতপাড়ায় উপস্থিত থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শহীদুল ইসলাম কথা বলেন।
[b]ঢাকা, ২৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/b]