দুর্ঘটনায় কবলে পড়া তৈলবাহী লাইনচ্যুত ৯টি ওয়াগন উদ্ধার করার পর দীর্ঘ ৩৭ ঘণ্টা পর চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হয়েছে।
বুধবার বিকেল সাড় ৫টার দিকে এ রেল পথে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের সহকারী প্রকৌশলী (পথ) লিয়াকত আলী  জানান, এ দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করতে চট্টগ্রাম রেলের পূর্বাঞ্চলীয় অতিরিক্ত চিপ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট একেএম মাসুদুল আরেফিনকে আহবায়ক করে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এর আগে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগাম থেকে ২৫টি তৈলবাহী ওয়াগন নিয়ে ট্রেনটি চাঁদপুরে আসার পথে বাকিলা এলাকায় ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়।
জানা গেছে, আসাম-বাংলার গেটওয়ে খ্যাত নদীবন্দর চাঁদপুরকে বাণিজ্যিক গুরুত্ব দিয়ে ব্রিটিশ আমলে তৈরি হয় চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথ। অতি পুরানো এ লাইনের রেলগুলো ক্ষয়ে গেছে, রেললাইন থেকে সরে গেছে মাটি ও পাথর, ভাঙা স্লিপারের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন। আর এ কারণে প্রায় রেলের ইঞ্জিন, কখনো আবার বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দিনের পর দিন এ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে থাকে।
অবশ্য চাঁদপুর-লাকসাম রেল সড়কের রি-মডেলিং কাজ শুরু হয় গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ১শ ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে রি-মডেলিং কাজ ধীরগতিতে চলার কারণে এ সড়কের পুরাতন লাইনে ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা।
এর মধ্যে মৈশাদী ও শাহতলী এলাকায় রেলের অনেক অংশে পাথর না থাকার কারণে আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সড়কের পুরাতন অংশটি। অনেকে ধারণা করছেন রেল সড়কের রি-মডেলিং কাজ শেষ হলে দুর্ঘটনা কমে যাবে। আর কাজটি যেনো দ্রুত শেষ হয় যে আশা করছেন রেলে যাতায়াত করা অনেক যাত্রী।
[b]ঢাকা, ২৫ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসএইচ[/b]