পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের সোলাপুর গ্রামে সম্রাট(৪০) নামে ১ জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা।
সোমবার আনুমানিক সকাল ১০ টায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সম্রাটের স্ত্রী রাশিদা বেগম বলেন, তার চাচা শ্বশুর মালেক মাতুব্বর ও চাচা শ্বশুরের ছেলে আকবরের কাছে ৯ লাখ টাকার মাসিক সুদ চাওয়ায় তার স্বামী সম্রাটকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্রাট আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার। তার সঙ্গে তার চাচা মালেক মাতুব্বর ও চাচাতো ভাই আকবরের টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মালেক মাতুব্বর, আকবর মাতুব্বর, ফারুক মাতুব্বর ও কুটি মাতুব্বরসহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সম্রাটকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেন বলে জানায় পুলিশ।
এলাকাবাসী জানান, নিহত সম্রাট ও চাচা মালেক মাতুব্বর এবং ছেলেরা সবাই ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। ডাকাতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল ইসলাম বলেন, সম্রাটের বিরুদ্ধে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানাসহ বেশ কয়েকটি থানায় ডাকাতি মামলা রয়েছে। তিনি অল্প কিছু দিন আগে জেল থেকে ছাড়া পান।
খবর পেয়ে দুপুরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী রাশিদা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন।
[b]ঢাকা, ২১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসআর[/b]
শ্রেণীহীন
নিজ চাচার হাতে খুন হলেন ভাতিজা
পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের সোলাপুর গ্রামে সম্রাট(৪০) নামে ১ জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা।





