নানা নাটকীয়তার মধ্যদিয়ে চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে ঘটেছে নানা সংঘাত, সংঘর্ষ। নিহত ও আহতও হয়েছেন বেশকিছু লোক। শাসকদল তাদের পাল্লাভারী করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। এখনও তারা সে ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১১৫টি উপজেলায় মোট ১৪৫টি ভোট কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৫টা ৫০ মিনিটে এ তথ্য জানায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।
ইসি থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে ১৪৫টি স্থগিত কেন্দ্রের মধ্যে বরিশালের সদরে ১১টি, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ৮টি, ফেনীর সদরে ২টি, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার একটি,  নোয়াখালীর সদরে ১১৭টি, সোনাইমুড়ীতে ৩টি, ঢাকার সাভারে ২টি, কেরাণীগঞ্জে একটি।
ইসি জানিয়েছে. ব্যালট পেপার ছিনতাই করা, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা ও ভোট কেন্দ্রগুলোতে বিশৃঙ্খলার কারণে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
তবে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে ইসি। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত খবরে ফলাফল না এলেও তারা কাজ করছেন। আরও বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের ব্যাপারে তথ্য আসতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ইসি জানিয়েছে।
[b]ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এ এম[/b]