[b]কায়রো:[/b] মিশরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে দেশের নতুন সংবিধান প্রশ্নে বুধবার দ্বিতীয় দিনের মত গণভোট চলছে। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর নতুন সংবিধান প্রণয়নের লক্ষে দু’দিনব্যাপী এ গণভোট হচ্ছে। প্রথমদিন মঙ্গলবার অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে সেনাবাহিনী গুলি করলে ৯ জন নিহত হন।
সামরিক বাহিনী সমর্থিত সরকার দু’দিনব্যাপী গণভোটে নতুন সংবিধানের পক্ষে ভোট দেয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯ টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
তবে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির দল মুসলিম ব্রাদারহুড ভোট বর্জন করেছে এবং ভোট চলাকালে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। এদিকে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা রুখে দেয়ার সংকল্প ব্যক্ত করেছে। সেনা সমর্থিত সরকার মুসলিম ব্রাদারহুডকে 'সন্ত্রাসী' সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করছে।
গণভোটে কত শতাংশ মানুষ অংশ নিচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিচার মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে আল হায়াত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়,গণভোটের প্রথম দিনে অনেক নির্বাচন কেন্দ্রে ৫০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে।
এদিকে বেশিরভাগ গণমাধ্যম নতুন সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগকে সমর্থন করছে এবং তাদের খবরে সরকারের মনোভাবই প্রতিফলিত হচ্ছে।
সরকারি গণমাধ্যমে মঙ্গলবার গণভোটকে ‘গণতান্ত্রিক উৎসব’ বলে উল্লেখ করেছে।
নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি যাই হোক না কেনো নতুন সংবিধান নিশ্চিতভাবেই পাস করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভোট কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
মিশরের বিভন্ন এলাকায় মুরসি সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে।
নতুন সংবিধানে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। বাহিনী আগামী আট বছরের জন্য দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারবে এবং সশস্ত্র বাহিনীর ওপর হামলার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের বিচার করতে পারবে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আদলি মানসুর রোববার এক বক্তৃতায় ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: এএফপি
শ্রেণীহীন
মিশরে দ্বিতীয়দিনের মতো চলছে গণভোট
কায়রো: মিশরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে দেশের নতুন সংবিধান প্রশ্নে বুধবার দ্বিতীয় দিনের মত গণভোট চলছে। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর নতুন সংবিধান প্রণয়নের লক্ষে দু’দিনব্যাপী এ গণভোট হচ্ছে। প্রথমদিন মঙ্গলবার অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে সেনাবাহিনী গুলি করলে ৯ জন নিহত হন।





