আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনে ঋণ খেলাপিদের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ঋণ খেলাপি কোন প্রার্থী যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে সেজন্য আগে থেকেই সর্তকতা অবলম্বন করছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একটি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ঋণ খেলাপিদের তথ্য সরবরাহ ও উন্নয়ন বরাদ্দ বন্ধে এলজিআরডি, রদবদল ও লোকবল বিষয়ে জনপ্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পাঁচ মন্ত্রনালয়কে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান হতে রিটার্নিং অফিসারের কাছে ঋণ খেলাপির তালিকা সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তালিকা সরবরাহের পর সে অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার একজন প্রার্থীর ঋণ খেলাপের তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনে উল্লেখিত ঋণ খেলাপ সংক্রান্ত বিধি-বিধান প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন।
নির্বাচনকে সব ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীন যে সব প্রকল্প যেমন, টেস্ট রিলিফ (টিআর), কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি, ওএমএস, ভিজিডি ও ভিজিএফ নতুন করে ছাড় ও ইস্যু করা যাবে না। তবে নির্বাচন পূর্ব সময়ের আগে নেয়া ত্রাণ প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাবে।