ভোলা: উপকূলীয় নৌ-রুটের অর্ধশতাধিক যাত্রী বাহি লঞ্চ ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার মধ্য রাত থেকে মেঘনা নদীতে আটকা পড়ে। এ সব লঞ্চ রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত আটকা ছিল।অধিকাংশ সকালে ছাড়লেও ঘন কুয়াশার কারনে দিকভ্রস্ট হয়।
ভোলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমভি বালিয়া সকাল ৯টা বাজলেও চাঁদপুর চ্যানেল পাড় হতে পারে নি। একই অবস্থায় এমভি সম্পদ,এমভি টিপু,এমভি ফারহানসহ বেশিরভাগ লঞ্চ রাতে হাইমচর,ষাটনল এলাকায় আটকা ছিল বলে লঞ্চ চালকরা জানান।
এদিকে ১৮দলীয় জোটের টানা হরতাল ও অবরোধের কারনে দীর্ঘ দিন পর ঢাকাগামী লঞ্চ ছাড়তে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় পড়ে। লঞ্চের কেবিন না পেয়ে প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের রাতভর বসে কাটাতে হয়।
যাত্রী ভীড়ে লঞ্চে হাটার স্থান ছিল না।কুয়াশায় মেঘনা নদীতে দীর্ঘক্ষন আটকে থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।নির্দিষ্ট সময়ের ৬-৭ ঘন্টা পর লঞ্চগুলো ঘাটে পৌঁছার কারণেও দুর্ভোগের সীমা ছিল না। অপরদিকে রাতে ৫-৬ ঘণ্টা অনেক লঞ্চ দিক ভ্রস্ট হয়ে ছুটাচুটি করতে থাকে। বেশ কিছু লঞ্চ শেষ পর্যন্ত নঙ্গর ফেলে অবস্থান নেয়।কুয়াশার কারনে লাইটের আলো দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে ও অপর যানবাহনকে সতর্ক করে হর্ন বাজিয়ে নিজেদের অবস্থানের জানান দেয়।
গত ৭দিন ধরে কুয়াশা পড়া শুরু করলেও গতকালের মত এত কুয়াশা দেখা যায় নি বলেও যাত্রীসহ লঞ্চ স্টাফরা জানান।এদিকে আবহাওয়া দফতর থেকেও বলা হয়েছে মধ্য জানুয়ারি থেকে ঘুন কুয়াশা ও তীব্র শীত পড়তে শুরু করবে।
শ্রেণীহীন
ভোলাসহ উপকূলের অর্ধ শতাধিক লঞ্চ ঘনকুয়াশায় আটকা পড়ে
ভোলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমভি বালিয়া সকাল ৯টা বাজলেও চাঁদপুর চ্যানেল পাড় হতে পারে নি। একই অবস্থায় এমভি সম্পদ,এমভি টিপু,এমভি ফারহানসহ বেশিরভাগ লঞ্চ রাতে হাইমচর,ষাটনল এলাকায় আটকা ছিল বলে লঞ্চ চালকরা জানান।





