কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় চার লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার রাত ৯টায় অপহৃত ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধারসহ অপহরণকারীদেরকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, গত ১১ মে রাত ১০টার দিকে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের মাইজ পাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে কাঠ ব্যবসায়ী আলী মিয়ার ছেলে গোলাম সুলতানকে অপহরণ করে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম ও তার ১০ সহযোগী।
এ সময় অপহণকারী দলের সদস্যরা অপহৃতের মেয়ের বিবাহের জন্য ক্রয়কৃত পাঁচ ভরি স্বর্ণ ৬০ হাজার টাকার কাপড় ও নগদ ১ লাখ ৫ হাজার নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে বলে স্থানীয়রা জানায়। অপহরণকারীরা চলে গেলে গোলাম সোলতানের আত্মীয় স্বজন খবর পেয়ে মহেশখালী থানাকে অবহিত করলে ওই রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শওকত ওসমান ও ছৈয়দুল করিমসহ দুই জনকে আটক করে।
অপহরণের শিকার গোলাম সুলতানের ছেলে বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করে। বিষয়টি নিয়ে মহেশখালী থানার ওসি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।
সোমাবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত প্রচেষ্টায় উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে ওসি অপর সহযোগীদের নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা জহিরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জহিরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। জহিরের স্বীকারোক্তি মতে পাহাড়ের গোপন আস্থানা থেকে স্থানীয় দফাদার আবুল সামার নিকট অনেক নাটকীয়তার পর  ১২ মে রাত ৯ টায় গোলাম সুলতানকে হস্তান্তর করেন।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, এ ঘটনায়  জড়িত চার জনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলায় দায়ের প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকা, ১২ মে (টাইমনিউজবিডি) //জেডআই