দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যারা নাশকতা করেছে তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় হতাহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাশকতা সৃষ্টিকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে। তারা যেখানেই থাকুক তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন ঠেকানোর নামে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করে। অনেকের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তাদের হাত থেকে নারীরাও রক্ষা পাচ্ছে না। এত বীভত্স দৃশ্য কখনো দেখিনি। বিএনপি যা করেছে, তা জঙ্গিবাদী ঘটনা।
ক্ষতিগ্রস্তদের মনের জোর রাখার অনুরোধ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের সন্তান ফেরত দিতে পারব না, তবে আপনাদের নিরাপত্তা দেব। আর যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য যা করা দরকার, তা-ই করব। দেশকে জঙ্গিবাদী হতে দেব না।
স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। যতটা কঠিন হওয়া দরকার, ততটা কঠিন হতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়েছে। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত এই বিচার আইন মানবে না, তা হয় না। যেভাবে হোক, সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী সহিংসতায় হতাহত ও ক্ষতির শিকার হয়েছে, এমন ৭৫টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন। নিহত তিনজনের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
এর আগে দুপুরে তিনি বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে গাইবান্ধা পৌঁছান। পরে তিনি জেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পূর্ববর্তী, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সহিংসতায় নিহতদের পরিবার এবং আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এই সফরে ব্রিজ, ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ ১৮টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে গাইবান্ধার শাহ আবদুল হামিদ স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি।
[b]ঢাকা, জানুয়ারি ২৫ (টাইমনিউজবিডি.কম)//কেবি[/b]
নাশকতাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রী
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যারা নাশকতা করেছে তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় হতাহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনার ফেরার আলোচনা ঘিরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে দেব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার আলোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ সরকার দেবে না। শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার জন্য প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবেশী দেশের কাছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কয়েক দফা অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
আমরাও চাই শেখ হাসিনা দেশে ফিরুন, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়: প্রতিমন্ত্রী
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে অপেক্ষা করছে। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক—ইতিহাসের এই সত্য মুছে ফেলা যাবে না।
গ্রেপ্তার ২ নওগাঁয় শেখ হাসিনা আসবে বলে মাইকিং
নওগাঁর মান্দায় অটোরিকশায় মাইকিং করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি।
আ’লীগের নেতা-কর্মীরাও মদ খায় সব বাটপারের কারখানা: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একমাত্র শেখ হাসিনাই কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে ছিলেন। শেষমেশ দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তিনি ভারতে পালিয়ে গেছেন। আমরা এ ধরনের রাজনীতি করিনি; ঢাকায় আমার নিজের কোনো বাড়ি নেই, অথচ তাদের জাবেদ নামের এক এমপির বিদেশেই সাড়ে চারশত বাড়ি রয়েছে।’
















