ব্যাপক কারচুপি, বালট বাক্স ছিনতাই, নির্বাচন বর্জন, ক্ষমতাসীনদের কেন্দ্র দখল এবং সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পঞ্চম দফার নির্বাচন। এ দফায় মোট ৭৩টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এখন চলছে ভোট গণনা। নির্বাচনের প্রথম থেকে সহিংসতা মুক্ত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করলেও শেষ পর্যন্ত সহিংসতাকারীদের দৌরাত্বের কাছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) যেন অসহায় মনে হয়েছে।
ভোট গ্রহণের দুই ঘন্টা পরই কেন্দ্র দখল ও ভোট ডাকাতির অভিযোগে ২০টি উপজেলায় নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি ও অন্যান্য দল সমর্থিত প্রার্থীরা। ভোট গ্রহণের আগের রাতেই জাল ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার মতো নজীরবিহীন ঘটনাও দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে এই নির্বাচনে।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201403/1396264413.jpg[/img]
ভোট গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক অভিযোগ এলেও রহস্যজনকভাবে নিরব থাকে ইসি। সারাদিনে বিভিন্ন উপজেলা প্রার্থী ও বিএনপি অফিস থেকে ফ্যাক্স যোগে ও মোবাইলে অভিযোগ আসলেও কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি ইসি।
বিকাল ৪টা পর্যন্ত গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করে ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। ভোট গ্রহণ শেষে সব উপজেলার তথ্য নিয়ে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসির জনসংযোগ বিভাগ।
এদিকে, ফেনীর ছাগলনাইয়ায় অভিনব ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ভোট শুরুর আগেই বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে সরকার দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ব্যালটে সীল মেরে বাক্স ভরা হয়। অনিয়ম ও কারচুপির প্রতিবাদে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি দলীয় প্রার্থী।
এছাড়া, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করে মহাসড়কে অবরোধ করে বর্জনকারী প্রার্থীর সমর্থকেরা। এ সময় তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। বিক্ষুব্ধ সমর্থকদের সরিয়ে দিতে পুলিশ গুলি ছুড়লে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরার তিনটি উপজেলায় প্রশাসনের সহযোগিতায় ব্যালটে সিল মারা ও এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা।
চুয়াডাঙ্গা সদরসহ দুইটি উপজেলায় পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে ভোট দেয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার হরতাল ডেকে ভোট প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি ও ১৯ দল সমর্থিত প্রার্থীরা।
[b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি[/b] [b]// জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
বর্জন ও জালিয়াতির ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
ব্যাপক কারচুপি, বালট বাক্স ছিনতাই, নির্বাচন বর্জন, ক্ষমতাসীনদের কেন্দ্র দখল এবং সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পঞ্চম দফার নির্বাচন। এ দফায় মোট ৭৩টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।





