এভারেস্ট জয়ের সব তথ্য-প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছেন মুসা ইব্রাহীম।
সোমবার তিনি তার ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্টে এ দাবি করেন।
মুসা বলেন, আমি লক্ষ্য করছি-২/৩টি গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে কয়েকজন নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছেন। ওই পোস্টের সঙ্গে এভারেস্ট একাডেমির প্যাডে লেখা একটি বিবৃতিও তুলে ধরেন মুসা।
মুসা ইব্রাহীম ২০১০ সালের ২৩ মে চীনের তীব্বত অংশ দিয়ে এভারেস্ট চূড়ায় উঠেছেন দাবি করে বলেন, আমি পরিবারের সাথে এ মুহূর্তে দেশের বাহিরে অবস্থান করছি। দেশে ফিরে এসে গণমাধ্যমের কাছে এভারেস্ট জয় করা নিয়ে আমার কাছে থাকা সমস্ত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরবো।
পারিবারিক কাজে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলেও উল্লেখ রয়েছে ওই পোস্টে।
সম্প্রতি এভারেস্ট বিজয়ের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে 'নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন (এনএমএ)' প্রকাশিত স্মরণিকায় ১৯৫৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ৮২ দেশের ১৩৩ প্রথম এভারেস্ট বিজয়ীর তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে। স্মরণিকাটির সহ-প্রকাশক ইন্টারন্যাশনাল মাউন্টেইনিং অ্যান্ড ক্লাইম্বিং ফেডারেশন (ইউআইএএ)। সেখানে বাংলাদেশের এভারেস্ট জয়ীদের তালিকায় মুসা ইব্রাহীমের নাম নেই। মুসার জায়গায় প্রথম বাংলাদেশী এভারেস্ট বিজয়ী হিসেবে পুরুষ ক্যাটাগরিতে নাম উল্লেখ করা হয়েছে এমএ মুহিতের আর নারী ক্যাটাগরিতে নিশাত মজুমদারের।
এভারেস্টজয়ী প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুসা ইব্রাহীম দাবি করলেও তার এই দাবির সঙ্গে বাংলাদেশের অনেকেই ভিন্নমত পোষণ করে আসছেন।
[b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
এভারেস্ট জয়ের সব তথ্য-প্রমাণ আছে
এভারেস্ট জয়ের সব তথ্য-প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছেন মুসা ইব্রাহীম। সোমবার তিনি তার ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্টে এ দাবি করেন। মুসা বলেন, আমি লক্ষ্য করছি-২/৩টি গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে কয়েকজন নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছেন। ওই পোস্টের সঙ্গে এভারেস্ট





