উপজেলা পরিষদ আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা আগামী কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদ আইনের কয়েকটি ধারায় সংশোধনী এনে একটি খসড়া তৈরী করা হয়েছে। খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা নির্বাচন একাধিক দিনে সম্পন্ন করা হলে সহিংসতার আশংকা থাকে। আর একদিনে নির্বাচন সম্পন্ন হলে সহিংসতা অনেকাংশে কমে যাবে। তাই একাধিক দিনে নির্বাচন না করে একদিনে নির্বাচন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া বর্তমান আইন অনুযায়ী, প্রার্থীরা হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিজয়ী হওয়ার পর তাদের পদ বাতিল করা যায় না। এ ধারাও পরিবর্তন করার কথাও ভাবছে ইসি। কোন প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর হলফনামায় দেয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার পদ বাতিল ও আর্থিক জরিমানাসহ শাস্তি পেতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে সংসদ সদস্যদের (এমপি) মতো গেজেট প্রকাশের সময় কমিয়ে তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ নেয়ার ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যা আগামী কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত করার পর আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আবদুল মোবারক বলেন, উপজেলা পরিষদের বেশ কয়কটি ধারা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যা শিগগিরই কমিশন বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হবে।
২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও ১৯৯০ সালে দ্বিতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু এই প্রথম আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে চতুর্থ উপজেলা পরিষদের ৪৭১টি উপজেলার নির্বাচন ভিন্ন দিনে সম্পন্ন করতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।
এছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক শপথবাক্য পাঠ করানোর কথা উল্লেখ রয়েছে।
[b]ঢাকা, এএম, ৩ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
শ্রেণীহীন
একদিনে সম্পন্ন হবে উপজেলা নির্বাচন
উপজেলা পরিষদ আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা আগামী কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদ আইনের কয়েকটি ধারায় সংশোধনী এনে





