সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফম রুহুল হকের সম্পদের হিসাবের খোঁজে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এজন্য দুদকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে দুদকের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষার চেষ্টা চলছে বলেও জানায় সূত্রটি।
এখানে উল্লেখ্য যে,গত ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে প্রার্থীদের দেওয়া বার্ষিক আয় ও সম্পদের বিবরণী নিয়ে যে প্রশ্ন উঠে তা অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রাথমিক পর্যায়ে সংস্থাটি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক,সাবেক গণপূর্ত ও গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান,সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান,বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য কক্সবাজার-৪ আসনের এমপি আবদুর রহমান বদি,ঢাকা-১৪ আসনের এমপি আসলামুল হক,রাজশাহী-৪ আসনের এনামুল হক ও জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি এম এ জব্বারের সম্পদের অনুসন্ধান করছে দুদক।
এরই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা-৩ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত এ সংসদ সদস্যের সম্পদের অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম।
বৃহস্পতিবার রুহুল হক ও স্ত্রী ইলা হকের সম্পদের হিসাব চেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নোটিশ দেয় রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। নোটিশের বাইরে নিজস্ব সূত্রে কয়েকটি ব্যাংক থেকেও তথ্য নিয়েছে দুদক। দুদকের উচ্চ পর্যায়ের ওই সূত্রটি জানিয়েছে,এনবিআর,ভূমি অফিস ছাড়াও রাজউক,রিহ্যাব,বিআরটিএ,জেলা রেজিস্ট্রার (ঢাকা,খুলনা,সাতক্ষীরা) অফিসে তার (রুহুল হক) সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেওয়া নোটিশে রুহুল হক ও স্ত্রী ইলা হকের গাড়ি,বাড়ি,প্লট,ফ্ল্যাটের তথ্য চাওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা-৩ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত সংসদ সদস্য আ ফ ম রুহুল হকের নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী,ব্যাংক হিসাব গত পাঁচ বছরে বেড়েছে ১০ গুণ। ব্যাংক হিসাবের বেশিরভাগ স্ত্রী ইলা হকের নামে।
এর আগে গত ২০০৮ সালের নির্বাচনের মাঠে নামার সময় রুহুল হক এবং স্ত্রী ইলা হকের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত টাকা ছিল ৯২ লাখ ৩৬ হাজার ১০৮ টাকা। বর্তমানে তাদের ব্যাংক ব্যালেন্সের পরিমাণ ১০ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৩ টাকা।
২০০৮ সালে স্ত্রী ইলা হকের নামে ব্যাংক ব্যালেন্স ছিল মাত্র চার লাখ ৬৪ হাজার ৩০ টাকা। এখন সাত কোটি ৫৩ লাখ ১১ হাজার ২৪০ টাকা। বৃদ্ধির হার প্রায় ১৬৫ গুণ।
অন্যদিকে,রুহুল হকের ব্যাংক ব্যালেন্স ২০০৮ সালে ছিল প্রায় ৮৮ লাখ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা অনুসারে,সামগ্রিকভাবে ২০০৮ সালের তুলনায় তার (রুহুল হক) অস্থাবর সম্পদ ৪ গুণ বেড়েছে। ২০০৮ সালে রুহুল হক এবং স্ত্রী ইলা হকের মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল চার কোটি টাকার কিছু বেশি।
২০১৩ সালে সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স হিসেবে রাখা আছে। এককভাবে ইলা হকের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ৮ গুণ। আগে তার (ইলা হক) নামে অস্থাবর সম্পত্তি ছিল মোট ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের। এখন তা আট কোটি ৩৯ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে।
অনুসন্ধানের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপ-পরিচালক অনুসন্ধানকারী মির্জা জাহিদুল আলম বলেন,অনুসন্ধান চলছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এখনই কিছু বলা হচ্ছে না। তবে দুর্নীতির বিষয়টি প্রমানিত হলে অবশ্যই জানানো হবে।
এদিকে,গত রোববার রুহুল হক হলফনামা সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন। তিনি দাবি করেন,মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় তার ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদের ঘরে স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৭ কোটি ৫৩ লাখ ১১ হাজার ২৪০ টাকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছিলেন।
প্রকৃতপক্ষে এটি ৪৫ লাখ ১৭ হাজার ৯৯২ টাকা হবে। ইসি সচিবালয় থেকে তার এই আবেদন কমিশন সভায় উত্থাপনের জন্য পাঠিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে কমিশন এখনও সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে।
[b]ঢাকা, জেইউ, ৬ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]
এবার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সম্পদের খোঁজে দুদক
সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফম রুহুল হকের সম্পদের হিসাবের খোঁজে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, বলপ্রয়োগ ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করাকে বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি এসব ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শপথ পেছানোর চক্রান্ত ইসরাইলে আরব ভোট বাড়াতে কাতার-তুরস্কের অর্থায়নের অভিযোগ
ইসরাইলের নির্বাচনে আরব জনগোষ্ঠীর ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে কাতার ও তুরস্কসহ বিদেশি পক্ষগুলো অর্থ জুগিয়েছে কি না, তা তদন্ত করছে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত। নির্বাচনে বিদেশি অর্থায়ন ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ।
ঠাকুরগাঁওয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, উদ্বেগের কারণ নেই: ইসি সচিব
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দেওয়া হয়েছে বডিওন ক্যামেরা।
ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাচনে কারচুপি হলে দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলের
আগামীকাল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
ইউপি নির্বাচন: ইসির ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, নেওয়া হচ্ছে বেশকিছু পদক্ষেপ
শুধু একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নয়, বরং ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের টেকসই সংস্কৃতি গড়ে তোলাই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মূল লক্ষ্য। একথা বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
















