[b]ঢাকা:[/b] তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে উৎসে কর ০.৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৩ শতাংশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
পোশাক খাতের নতুন বেতন কাঠামো ও চলমান রাজনৈতিক ক্ষতি কাটাতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা। তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পে সহযোগিতা প্রদানের অংশ হিসেবে এটি বাস্তবায়িত হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা। তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পে সহযোগিতা প্রদানের অংশ হিসেবে এটি বাস্তবায়িত হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত ৭ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি এনবিআর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ব্যবসায়ী সংগঠনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সচিবালয়ে গত সোমবার পোশাক খাতের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন লাগবে।
চলতি মাস থেকে নতুন বেতন দেওয়া শুরু। মালিকদের পক্ষ থেকে ১০ জানুয়ারির আগেই এসব প্রস্তাব মেনে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। কারণ ১০ তারিখ থেকে বেতন দেওয়া শুরু হবে। মালিকরা নতুন বেতন কাঠামোতে ৭৭ শতাংশ বেতন বাড়িয়েছে। এর অংশ হিসেবে সরকার এসব প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
এ ছাড়া নগদ সহায়তা ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ সহজীকরণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই ঘোষণা দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়। পোশাক খাতের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ক্ষতি কাটাতে সরকারের কাছে এসব সুবিধা চাওয়া হয়েছিল।
এ বিজিএমইএর সহসভাপতি (অর্থ) রিয়াজ-বিন-মাহমুদ জানান, উৎসে কর ০.৮ থেকে ০.৩ করার বিষয়ে গত সেমাবারের বৈঠকেই অর্থমন্ত্রী ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। দশমিক ২৫ শতাংশ করার দাবি ছিল, সেখানে দশমিক ৩ শতাংশ করা হয়েছে। সরকারেরও রাজস্ব কমে যায় এটিও বিবেচনা নিতে হবে ব্যবসায়ীদের। তাই এটিই অনেক আশাব্যঞ্জক। তবে নগদ সহায়তার বিষয়ে কোনো আশ্বাস পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ব্যাংকের পক্ষ থেকে কিছু সুবিধা চাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে সরকার।
চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গত ১১ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রীর কাছে আট দফা দাবি জানান বস্ত্র খাতের তিন সংগঠনের (বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ) নেতারা।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, উৎসে কর দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সেটা দশমিক ২৫ শতাংশ করা; নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী গার্মেন্টস শ্রমিকদের চার মাসের বেতন ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে প্রদান এবং এই অর্থ একটি সুদবিহীন ব্লক অ্যাকাউন্টে রেখে দুই বছর মেয়াদে প্রদানের সুযোগ; সব ধরনের মেয়াদি ঋণ দুই বছরের জন্য সুদবিহীন ব্লক অ্যাকাউন্টে রাখা; লোন চলমান পরিস্থিতিতে পোশাকশিল্প খাতের কোনো ব্যাংকঋণ শ্রেণীবিন্যাস না করা; রফতানি আয়ের ওপর প্রতি ডলারের বিনিময় হারে তিন টাকা হারে বিশেষ বোনাস প্রদান, টিটির বিপরীতে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
উৎসে কর দশমিক ৩ শতাংশ কমলো তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে
ঢাকা: তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে উৎসে কর ০.৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৩ শতাংশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ইতিমধ্যে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন ২০৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দের নির্দেশ
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি, শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব ও জব্দের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তালিকায় দেশের ১২টি শিল্পগোষ্ঠী এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিচালক ও অন্য ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাঁদের অর্থ পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মীর হেলাল পলাতক অপশক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে পলাতক অপশক্তি। ইতিমধ্যে সরকার এই অপশক্তিকে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু কিছু কিছু গণমাধ্যম প্রকৃত চিত্র তুলে না ধরে পোশাক খাতের অস্থিরতাকে শ্রমিক আন্দোলন হিসেবে প্রচার করে অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ তাদের ষড়যন্ত্র কিছুতেই সফল হতে দেবে না।
পোশাকশিল্প ধ্বংসে লিপ্ত ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর হস্তে দমনের আহ্বান জামায়াত আমিরের
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি করে এ খাতকে ধ্বংস করার পাঁয়তারায় লিপ্ত ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজদের শক্ত হাতে দমন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
ঝুঁকি বাড়ছে মধ্যবিত্তেরও দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৭.৯ শতাংশ
দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৭ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালে এ হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। একই সময়ে চরম দারিদ্র্যের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ হয়েছে। দারিদ্র্যের পাশাপাশি আয় ও ব্যয়ের চাপে ঝুঁকিতে পড়ছেন মধ্যবিত্তরাও। বর্তমানে দেশের প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা
বিদেশে পোশাক রপ্তানি করে প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে ফেরত পাননি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। প্রতি ডলার ১২৫ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ১৯৯০ সাল থেকে গত ৩৬ বছরে এ অর্থ আটকে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দাবি। এ সংকটের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে, বন্ধ হয়েছে বহু কারখানা।
















