নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত র্যাবের চাকুরীচ্যুত দু'জন কর্মকর্তাকে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে। দুপুরে তাদের দু'জনকে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে সে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কিছুক্ষণ আগে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পুলিশ লাইনে রওনা হয়েছেন।
গ্রেফারকৃত দু'জন হলেন, র্যাব-১১ এর সাবেক অধিনায়ক লে.কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ ও মেজর আরিফ হোসেন। তারেক সাঈদ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার মেয়ে জামাতা।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড.খন্দকার মুহিদ উদ্দীন ভোর ৪টার পর বলেন, চাকুরিচ্যুত নৌবাহিনী কর্মকর্তা লে. কমান্ডার এমএম রানাকে গ্রেফতার করা যায়নি। বাকী দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটির কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ ৭জন অপহৃত হন। তিন দিন পর তাদের লাশ শীতলক্ষা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর হাইকোর্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের আদেশ দেন। এরই মধ্যে তাদের গ্রেফতারের জন্য হাইকোর্ট অপর একটি আদেশ দিয়েছেন। আদেশের পর সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের মধ্যে চিঠি চালাচালি চলে। বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বহিনী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়, তাদের গ্রেফতারে কোন বাধা নাই।
গত ১১ মে নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনায় তিন র্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আইজিপিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। দন্ড বিধি বা বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া না গেলে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে বলেন আদালত। ৪ মে নিহত নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদ চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছয় কোটি টাকার বিনিময়ে র্যাবের তিন কর্মকর্তা ওই ৭ জনকে অপহরণ ও খুন করেছেন।
[b]ঢাকা, ১৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
না'গঞ্জ আদালতে তোলা হয়েছে দু'র্যাব কর্মকর্তাকে
নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত র্যাবের চাকুরীচ্যুত দু'জন কর্মকর্তাকে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে। দুপুরে তাদের দু'জনকে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে সে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে





