মেয়ের বাড়ি সাগরনাল ইউনিয়নের একটি গ্রামে। আর ছেলের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নে। তারা সিলেটের এম সি কলেজে স্নাতক শ্রেণীতে পড়েন।
মোবাইলে জরুরি কাজের কথা বলে শনিবার বিকালে ছেলেকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন মেয়েটি। তারপর একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন ছেলেটিকে। এরপর ছেলের বাড়ির অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মেয়ের বাড়ির লোকজন। ছেলের অভিভাবকেরা রাজি হলে রোববার বিকাল ৫টায় তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কাবিননামায় নয় লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়।
ছেলে ও মেয়ের পারিবারিক সূত্র জানায়, দুজনেই সহপাঠী। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে চলছিল মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল।
সম্প্রতি মেয়েকে অভিভাবকেরা বিয়ে দিতে চান। মেয়েটি পছন্দের ছেলের নাম-পরিচয় অভিভাবকদের কাছে বলেন। কিন্তু বড় ভাই বিয়ে না করার অজুহাতে বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান ছেলেটি। তারপরই কৌশলে নিজের বাড়িতে নিয়ে বিয়ের দাবিতে ছেলেকে ‘গৃহবন্দী’ করে রাখেন ওই মেয়ে।
বিয়েতে জুড়ী উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী,স্থানীয় ওয়ার্ডের সদস্য সরফ উদ্দিন,ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য জাকির হোসেনসহ উভয় পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]