মৃত তিস্তায় পানি বাড়া নিয়ে গণমাধ্যম ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে তুমুল বিতর্ক চলছে।
একদিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, নীলফামারির ডালিয়া পয়েন্টে গত ২১ এপ্রিল যেখানে তিস্তায় পানির প্রবাহ ছিল মাত্র ৪৩০ কিউসেক, ২২ এপ্রিল তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০৬ কিউসেকে। অন্যদিকে, তিস্তার ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টের গেট কিপার ও হাইড্রোলিক মিটার রিডার নজরুল ইসলাম জানান, তিস্তায় পানি সোমবারের চেয়ে মঙ্গলবার কমেছে। মঙ্গলবার ওই সময়ে পানির পরিমাণ ছিল ডালিয়া পয়েন্টে ৬২০ কিউসেক। রিজারভারে যে পানি ছিল তা ক্যানেলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201404/1398235184.jpg[/img]
তিস্তায় পানির প্রবাহ বৃদ্ধির ব্যাপারে জানতে চাইলে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গত কিছু দিনে পানির প্রবাহ অস্বাভাবিক কমে যাবার পর থেকেই কূটনৈতিক ও জেআরসিসহ বিভিন্ন স্তরে ভারতের সাথে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি সম্পর্কে কথাবার্তা হচ্ছে। পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি এর একটি ফসল হতে পারে। তিনি জানান, ভারতের দিক থেকে পানি ছাড়া হতে পারে এমন কোন আগাম তথ্য তাদের কাছে ছিল না।
ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ এলাকার স্থানীয় প্রবীণ সাংবাদিক আলতাফ হোসেন মঙ্গলবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিস্তার ব্যারেজের পয়েন্টে ৩০০ কিউসেকেরও কম পানি আছে। কর্তৃপক্ষ জনগণকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়ার জন্য প্রধান ৪৪টি গেট ও আরওয়ান টি গেটটি বন্ধ করে দিয়েই তিস্তার ৩০০ কিউসেক পানিই সিএইচআর এর ৮টি গেট দিয়ে প্রধান ক্যানেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ কারণে প্রধান ক্যানেলের ১০ কিলোমিটার এলাকায় সামান্য পানি দেখা যাচ্ছে। এই পানিটিকেই কর্তৃপক্ষ তিস্তায় পানি এসেছে বলে প্রচার করছে। ঢাকা থেকে আসা সাংবাদিকদের ওই পানি টুকুই তারা দেখাচ্ছে। কিন্তু কেউই তিস্তা ব্যারেজের নিচে যে একফোটা পানিও নেই সেটি বলছেন না।
স্থানীয় কৃষক লুবা মিয়া জানান, পানির অভাবে আমাদের জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। আমাদের ক্যানেলে কোনো পানি নেই। আমরা পানি পানি বলে মারা যাচ্ছি। আর মির্জা ফখরুল পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজনের কথা শুনে সরকারের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে বলে দিলেন, ভারত পানি ছেড়েছে। এটা সঠিক নয়। ক্যানেলে কোনো পানি নেই। আমরা পানি চাই। ভারত পানি ছেড়ে দেয়ার কথাটি মিথ্যা ও বানোয়াট।
তিস্তায় পানি প্রবাহ ৩০০৬ কিউসেক নাকি ৬২০ কিউসেক বলা ভার! মৃত তিস্তায় পানির জন্য কৃষকের হাহাকার কবে শেষ তাও বলা মুশকিল। আর তাই পানি নিয়ে এই বিতর্কে আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী রাজনীতির ফাঁদে বিএনপি পা দিয়েছে কিনা, প্রশ্ন উঠেছে।
[b]ঢাকা, ২৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এনএস[/b]
মৃত তিস্তায় পানি বাড়া নিয়ে বিতর্ক!
মৃত তিস্তায় পানি বাড়া নিয়ে গণমাধ্যম ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে তুমুল বিতর্ক চলছে। একদিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, নীলফামারির ডালিয়া পয়েন্টে গত ২১ এপ্রিল যেখানে তিস্তায় পানির প্রবাহ ছিল মাত্র ৪৩০ কিউসেক, ২২ এপ্রিল তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০৬ কিউসেকে
তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু ২০২৭ সালের নভেম্বরে: প্রতিমন্ত্রী
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৭ সালের নভেম্বর মাসে এ মহাপরিকল্পনার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ‘তিস্তা-পদ্মা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার’
কূটনৈতিক রিপোর্টার : ভারতের সঙ্গে ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের মূল অগ্রাধিকার থাকবে ১৯৭৭ সালের ঐতিহাসিক চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনা, যা বাংলাদেশকে শুষ্ক মৌসুমে পানির সুনির্দিষ্ট ও ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মেগা প্রজেক্ট পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত দৃশ্যমান ও বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি।
চলন্ত তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের হুক ভেঙে দুই বগি বিচ্ছিন্ন
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চলন্ত আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের দুটি বগির সংযোগ হুক ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু
উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। সরকারের তৎপরতার অংশ হিসেবে এ মহাপরিকল্পনার মূল প্রশাসনিক ও কারিগরি দিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
কোনো দেশের ভয়ে তিস্তা প্রকল্পে গড়িমসি নয়: এটিএম আজহারুল
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার ধীরগতিতে এগোচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। তাঁর দাবি, কোনো একটি দেশের ভয়ে সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জাতীয় স্বার্থে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
















