দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর ১ ও ২ আসন থেকে বিজয়ী শেখ আফিল উদ্দিন ও মনিরুল ইসলামের শুনানি করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশন টাইমনিইজবিডিকে জানিয়েছে, সোমবার নির্বাচন কমিশনে তাদের শুনানির কথা ছিল। এরই মধ্যে হাইকোর্টে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাদের একটি রিট থাকায় কমিশন এ শুনানি করেনি ।
গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর দুই প্রার্থীর নির্বাচন পূর্ব আচরণবিধি লংঘনের দায়ে কারণ দর্শানোর জন্য দশ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে ৬ জানুয়ারি নোটিশ দেয় কমিশন। উল্লেখিত বিজয়ী প্রার্থীরা নোটিশের জবাবের সাথে তারা কমিশনে নিজেদের পক্ষে শুনানির আবেদন করে। যার প্রেক্ষিতে ২৭ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করে।
কমিশনে শুনানির পূর্বে বিজয়ী প্রার্থীদের আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট তাদের কেন সংসদ সদস্য ঘোষণা করা হবে না মর্মে কমিশনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।
দুই অভিযুক্ত প্রার্থীর আইনজীবী এড. রিয়াজুল কবির কাওছার জানান, যেহেতু নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের পর নোটিশ দিয়েছে সেহেতু আমাদের মনে হয়েছে বিষয়টি বিধিসম্মত হয়নি। তাই আমরা হাইকোর্টে গিয়েছি। কমিশনের উচিত ছিল নির্বাচনের আগে নোটিশ দেয়া।
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে দুই প্রার্থী কোন মন্তব্য করতে চাননি। তারা মনে করে কমিশন তাদের এখতিয়ার অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
[b]ঢাকা,২৭জানুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
শুনানি করেনি নির্বাচন কমিশন
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর ১ ও ২ আসন থেকে বিজয়ী শেখ আফিল উদ্দিন ও মনিরুল ইসলামের শুনানি করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন টাইমনিইজবিডিকে জানিয়েছে, সোমবার নির্বাচন কমিশনে তাদের শুনানির কথা ছিল। এরই মধ্যে হাইকোর্টে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাদের একটি রিট থাকায় কমিশন এ শুনানি করেনি





