মাগুরা জেলার মহম্মদপুরের পাল্লা গ্রাম থেকে রুনা খাতুন নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহত রুনা ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর গ্রামের আব্দুল বাকি মোল্লার মেয়ে।
বৃহস্পতিবার লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।
বার বছর আগে  মহম্মদপুর উপজেলার পাল্লা গ্রামের ফেলা মোল্লার ছেলে জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তার স্বামী জাহিদ যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই মারপিট করতো বলে জানান রুনা খাতুনের ভাই দেলোয়ার হোসেন।
বিভিন্ন সময় একাধিকবার যৌতুক হিসেবে নগদ টাকা ও বিভিন্ন জিনিসপত্র দেয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। দুই বছর আগে রুনা একটি মেয়ে সন্তান প্রসব করে। রুনার ৩টি সন্তানই মেয়ে হওয়ার অপরাধে তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে বলে দেলোয়ার অভিযোগ করেন।
বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ১২টায় জাহিদুল রুনাকে বেদম মারপিট করেন। প্রতিবেশিরা রুনাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত  চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রুনার ভাই দেলোয়ার অভিযোগ করেন তার বোনকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
মহম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল আলম জানান, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায়  রুনার স্বামী জাহিদ পলাতক রয়েছেন। লাশের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
[b]ঢাকা, ৩ এপ্রিল, (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসআর
[/b]