[b]ঢাকা:[/b] তুরাগের তীরে ২৪ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। বিশ্ব ইজতেমাকে সামনে রেখে ময়দানের প্রস্তুতি কাজ শুরু হয়েছে দ্রুতগতিতে।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত স্বেচ্ছাসেবী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এসে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের বিভিন্ন ধরনের সংস্কার কাজ করছেন।
স্বেচ্ছাসেবীরা ১৬০ একর বিশাল ময়দানে পাটের চট ও বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজসহ নানা প্রস্তুতিমূলক কাজ করছেন। গতানুগতিক ধারায় প্রতি বছর ইজতেমা অনুষ্ঠিত হলেও এবারই নতুন আঙ্গিকে ইজতেমা ময়দানের সংস্কার কাজ চলছে। আগত মুসল্লিদের অবাধ চলাচলের জন্য শাখা রাস্তাগুলো সলিং করা থাকলেও এবারই ময়দানের ভিতরে প্রায় শাখা-প্রশাখা রাস্তাগুলো ঢালাই দিয়ে পাকা করা হচ্ছে।
এদিকে ইজতেমা ময়দানে স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ময়দানে অবিরাম কাজ করে চলেছে। আল্লাহ ও রাসূল (সা.) এর সান্নিধ্যের আশায় তারা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। সোমবার ইজতেমা ময়দান সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ময়দানের সার্বিক প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছেন মুসল্লিরা।  
ইজতেমা উপলক্ষে ময়দানের পশ্চিম পাশে বিদেশী মেহমানদের জন্য তৈরি টিনসেট সংলগ্ন পঁশ্চিম কোনে লোহার পাইপ দিয়ে মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে।
ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে ময়দানের চারপাশে কাঁচা পাকা টয়লেট নির্মাণ করা হচ্ছে।
ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের অবাধ চলাচলের জন্য তুরাগ নদীতে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যরা পন্টুন সেতু তৈরির কাজ শুরু করেছেন।
ইজতেমার আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, আল্লাহর মেহেরবানীতে ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতিকাজ এগিয়ে চলছে। আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে ময়দানের সকল কাজ শেষ হবে ইনশাল্লাহ। আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে নির্ধারিত জেলার মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে যেন নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নিতে পারেন সে ব্যবস্থাও দ্রুত গতিতে চলছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগত মুসল্লীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে থাকবে শর্টসার্কিট ক্যামেরা।
টঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান, এবারের বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের সার্বিক নিরাপত্তার দিকটি নতুন কৌশল ও নতুন আঙ্গীকে সুনিশ্চিত করা হবে।
ইজতেমা ময়দানের আশেপাশে হাসপাতাল, সাহায্য সংস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন বিনামূল্যে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের চিকিৎসা ঔষধ বিতরণ করবে।