পূর্ব সুন্দরবনে রোববার রাতের বন্দুক যুদ্ধে দুর্ধর্ষ বনদস্যু শীষ্য বাহিনীর ১১ দস্যু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যানব। তবে নিহতদের লাশ এখনো উদ্ধার করা হয়নি বলে জানিয়েছে র‌্যাব। 
এ ঘটনায় বাগেরহাটের শরণখোলা থানায় র‌্যাবের ডিএডি নাজির আহমেদ ফারুকী বাদী হয়ে মঙ্গবার দুপুরে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই বাহিনী প্রধান রেজাউলসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ৩২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
র্যা ব -৮ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফরিদুল আলম মুঠোফোনে মঙ্গলবার জানান, রোববার রাত ১১টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সুন্দরবনের নারকেলবাড়িয়া এলাকায় শীষ্য বাহিনীর সঙ্গে র‌্যাবের বন্দুকযুদ্ধ চলে। এতে বাহিনীর ১১ দস্যু নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করছে র্যা ব । দুর্ধর্ষ বনদস্যু শীষ্য বাহিনীর প্রধান রেজাউল ও সহযোগী সালেহ হুজুরসহ অনেকে বনদস্যু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বনদস্যু দমনে তাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান তিনি। বাগেরহাট পুলিশ সুপার মো. নিজামুল হক মোল্লা জানান,বাগেরহাটের সুন্দরবন উপকূলে লাশ ভাসার খবর নিশ্চিত হওয়া গেলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করবে।  
এদিকে,দস্যুদের গুলিতে গুরুতর আহত র্যা ব-৮ এর ল্যান্স করপোরাল সাইফুল ইসলাম ও জাহাজের সুকানি হায়দার আলীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে সোমবার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তার অবস্থা এখন  আশাঙ্কামুক্ত বলে র‌্যাব সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে,শীষ্য বাহিনীর সদস্যদের নিহত হওয়ার খবরে বাগেরহাটের শরণখোলাসহ উপকূলীয় জেলে বাওয়ালীরা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উপকূলীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী,জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির শরণখোলা উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ জেলেরা জানান,শীষ্য বাহিনীর অত্যাচারে জেলেরা সাগরে যেতে ভয় পেতেন। এ বাহিনীর সদস্যরা নিহত হওয়ায় জেলে ও মহাজনদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। র্যা বের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন মৎস্যজীবী নেতারা।

ঢাকা/২২ জানুয়ারি (টাইম নিউজ//এআর)