[b]ঢাকা: [/b]নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলো জাতীয় পার্টি (জাপা)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সকাল ১১টার দিকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জাপার ইশতেহার ঘোষণা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজুল ইসলাম চৌধুরী, মাঈদুল ইসলাম মুকুল, ফখরুল ইমাম, যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা, সেলিম উদ্দীন প্রমুখ।
ঘোষিত ইশতেহারে অর্থনীতির উপর জোর দেয় হয়েছে।
‘শান্তির জন্য পরিবর্তন’ এ লক্ষ্যেকে সামনে রেখে এবারের ইশতেহার ঘোষনা করেছে জাতীয় পার্টি। প্রাদেশিক ব্যবস্থার প্রবর্তন এবং হাইকোর্টের বিকেন্দ্রিকরন করার ঘোষনা রয়েছে ইশতেহারে।
ইশতেহার পূর্ব বক্তব্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, গণতন্ত্র আর সহিংসতা একসাথে চলতে পারে না। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আবার সহিসংতা করব তা হতে পারে না।
সুশিল সমাজের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, সমাজের মানুষ যাদের সম্মান করেন তারা একদিকে ভোটের অধিকারের কথা বলবেন আবার ভোট প্রদানের বাধাদানকে সমর্থন করবেন তা হতে পারেনা।
রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকার আছে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার। তবে নির্বাচনে ‘ভেটো’ দেয়ার অধিকার কাউকে দেয়া যায় না।
যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন তাদের দলে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে হলে দলের ভিতরে বাইরে, গণতন্ত্র চর্চা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, আদালতসহ গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী করতে হবে।
দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহনের আহ্বান জনিয়েছেন। সকলকে বুঝতে হবে এ নির্বাচন জাতীয় পার্টি অংশ নিচ্ছে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতাকে বজায় রাখতে।