তত্ত্বাবধায় সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন,ইজারার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ধবংস করা হচ্ছে দেশের নাম করা জলাশয় এবং বন ভূমি। বন বিভাগের কর্মকর্তারা কাগজে কলমেই বন ভূমি রক্ষা করেন।
বহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন,প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের অন্যতম জলাভূমি ‘সিলেটের রাতারগুল জলাবন’। একসময় দেশের বিভিন্ন এলাকার পর্যটকগণ এখানে যেতেন।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন,সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের পূর্ব মহেশপুর ও বাগাবাড়ি মৌজায় ৫০৪ একর জমি নিয়ে রাতারগুল বন বিট। অবিলম্বে রাতারগুল বনভূমিকে রক্ষার স্বার্থে গৃহীত প্রকল্প বাতিল করা উচিত।
তিনি বলেন,বন বিভাগের তথ্যে এই বনে রয়েছে ৭৩ প্রজাতির উদ্ভিদ,২৬ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণি,২০ প্রজাতির সরীসৃপ প্রাণি,১৭৫ প্রজাতির পাখি এবং ৯ প্রজাতির উভয়চর প্রাণি। কিন্তু বাস্তবে এর চিত্র উল্টো দেখা যায়।
রাশেদা কে চৌধুরী আরও বলেন,আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলো আজ ধ্বংস করা হচ্ছে। এই বিষয়ে দাতা দেশ ও সংস্থাকে জানানো উচিত। আরও জোরালো প্রতিবাদ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপার্) মহাসচিব ড. আবদুল মতিন,বিমিষ্ট কলামিষ্ট সৈয়দ আবুল মোকসেদ,রাতারগুল সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব আবদুল করিম কিম প্রমুখ।
[b]ঢাকা,একে ২৪ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে জলাশয় ও বনভূমি
তত্ত্বাবধায় সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন,ইজারার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ধবংস করা হচ্ছে দেশের নাম করা জলাশয় এবং বন ভূমি। বন বিভাগের কর্মকর্তারা কাগজে কলমেই বন ভূমি রক্ষা করেন





