বিগত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ১৪৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা । যার অধিকংশই সরকারি- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ১৪৭ টি ভোট কেন্দ্র ২৮টি সংসদীয় আসনের । আর এ জন্য ১ হাজার ৬৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনের কেন্দ্র হিসেবে সরকারি- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহৃত হয়।
বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে (ইসি) ২৮ জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি)ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সূত্র জানায়, ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ১৪৭ টি ভোটকেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। যার অধিকংশই সরকারি- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ১৪৭ টি ভোট কেন্দ্র ২৮টি সংসদীয় আসনের।
রিটানিং কর্মকর্তাদের পাঠানো প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এসব ঘটনার জন্য ১৬০ টি মামলা করা হয়েছে। আর গ্রেফতার করা হয়েছে ১ হাজার ৬ ৮ জনকে। যে ২৮ টি সংসদীয় আসনের অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর গ্রেফতার করা হয়েছে তা হচ্ছে-
চট্টগ্রাম জেলার ৯ আসনে ৩০টি ভোট কেন্দ্র ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা করা হয়েছে ১৬টি । আর গ্রেফতার করা হয় ৯১ জনকে।
নীলফামারী জেলার ২ আসনে ১৮টি ভোটকেন্দ্রে আগুন ও ভাঙচুর করা হয়, মামলা হয় ১২টি ও গ্রেফতার করা হয় ১৪ জনকে।
রংপুর জেলার ৩ আসনে ২টি কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ২টি ও গ্রেফতার করা হয় ৯জনকে। গাইবান্ধা জেলার ৪ আসনে ৫ কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ৫টি ও গ্রেফতার করা হয় ২০ জনকে।
রাজশাহী জেলার ২ আসনে ৯ কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ৮টি ও গ্রেফতার করা হয় ১৪ জনকে। ঝিনাইদহ জেলার ৪টি আসনে ২৬টি কেন্দ্রে ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ২৯টি ও গ্রেফতার করা হয় ১৬০ জনকে।
খুলনা জেলার ৩ আসনে ১টি কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ২টি। কেউ গ্রেফতার হয়নি। বরগুনা জেলার ২ আসনে ৪টি কেন্দ্র ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা হয় ৩টি ও গ্রেফতার করা হয় ৭২ জনকে।বরিশাল জেলার ৩ আসনে ২টি কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা করা হয় ২টি ও গ্রেফতার করা হয় ৬ জনকে।
জামালপুর জেলার ৪ আসনে ২টি ভোট কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ২টি। গ্রেফতার করা ৩ জনকে। শেরপুর জেলার ৩ আসনে ২টি কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ২টি ও গ্রেফতার করা হয় ৩৯ জনকে। নেত্রকোনা জেলার ৩ আসনে ৬টি ভোট কেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা হয় ৪টি ও গ্রেফতার করা হয় ১৪ জনকে।
নরসিংদী জেলার ৩ আসনে ৩টি কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ২টি। গ্রেফতার করা ৩ জনকে।
ফরিদপুর জেলার ১ আসনে ১টি কেন্দ্র অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা করা হয় ১টি ও গ্রেফতার করা হয় ২ জনকে।
মৌলভীবাজার জেলার ২ আসনে ৪টি কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা হয় ৫টি ও গ্রেফতার করা হয় ৬ জনকে। কুমিল্লা জেলার ৭ আসনে ৮টি কেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়, মামলা হয় ৯ টি ও গ্রেফতার করা হয় ১৮ জনকে।
ফেনী জেলার ১ আসনে ৬টি কেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা হয় ৬ টি ও গ্রেফতার করা হয় ৩৪ জনকে। লক্ষ্মীপুর জেলার ২ আসনে ২০টি কেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়, মামলা করা হয় ২২ টি ও গ্রেফতার করা হয় ৮২ জনকে।
ঠাকুরগাঁও জেলার ২ আসনে ৭টি ভোটকেন্দ্র পোড়ানো হয়, মামলা হয়েছে ৯টি ও গ্রেফতার করা হয় ৭১ জনকে। দিনাজপুরের ৫ আসনে ভোটকেন্দ্র পোড়ানো হয় ২২টি, মামলা হয় ২৪টি ও গ্রেফতার করা হয় ১৫৪ জনকে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের (ইসি) সিনিয়র সহকারি সচিব ফরহাদ হোসেন বলেন, ২৮ জেলা থেকে রিটানিং কর্মকর্তারা রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। রিপোর্টে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪৭ টি ভোটকেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে ।
উল্লেখ্য, বিগত ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ১৫৩ জন। আর ১৪৭ টি সংসদীয় আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
[b]ঢাকা, এএম,৩০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
অগ্নিসংযোগ ১৫০ ভোটকেন্দ্রে, মামলা ১৬০, গ্রেফতার সহস্রাধিক
বিগত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ১৪৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা । যার অধিকংশই সরকারি- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ১৪৭ টি ভোট কেন্দ্র ২৮টি সংসদীয় আসনের





