[b]তেলে আবিব[/b]: লেবাননের ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির সাবরা ও শাতিলায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালানোর দায়ে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল শ্যারনের বিচার হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বিচার করার আগেই তার মৃত্যু লজ্জাজনক। শ্যারন ছিলেন একজন দাগী অপরাধী, ইয়াসির আরাফাতকে হত্যার জন্য সে দায়ী।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)একথা বলেছে।সংস্থাটির  মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা বিভাগের পরিচালক  সারাহ লি হোয়াইটসন এক বিবৃতিতে শ্যারনের নিন্দা জানিয়ে এ মন্তব্য করেছেন।
গতকাল শনিবার ৮৫ বছর বয়সী শ্যারন মারা গেছেন। ২০০৬ সালের ৪ জানুয়ারি সাবেক ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী শ্যারন স্ট্রোক করে কোমায় চলে যান। তারপর থেকে গত আট বছর অচেতন অবস্থায় ছিলেন তিনি।
১৯৮২ সালে লেবাননের বিরুদ্ধে চালানো আগ্রাসী যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্যারন এবং সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে শত শত নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেন তিনি। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের বাইরে অবস্থিত এ দুই শিবিরে শ্যারনের পক্ষ থেকে লেবাননের পেটোয়া বাহিনীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসের এ নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ড ঘটে। সে সময় শ্যারন ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী ছিলেন এবং এ হত্যাকাণ্ডে ভূমিকার জন্য তাকে ‘বৈরুতের কসাই’ বলে অভিহিত করা হয়।
সারাহ লি হোয়াইটসন তার বিবৃতিতে বলেন,  সাবরা ও শাতিলায় হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য মানবাধিকার বিরোধী ভূমিকার জন্য বিচার হওয়ার আগে শ্যারনের ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছে; যা সত্যিই লজ্জাজনক। এ ছাড়া, ২০০৪ সালে ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের হত্যাকাণ্ডে ভূমিকা পালনের জন্যও মানবাধিকার গোষ্ঠী এইচআরডব্লিউ’র পরিচালক কঠোর ভাষায় শ্যারনের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, শ্যারন একজন দাগী অপরাধী, ইয়াসির আরাফাতকে হত্যার জন্য সে দায়ী। তিনি জানান, শ্যারনের এ সব ভূমিকার কারণে তার বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে হাজির করা হবে বলেও আশা করেছিল এইচআরডব্লিউ।
এদিকে, শ্যারনের মৃত্যুতে ফিলিস্তিন ও লেবাননে উল্লাস প্রকাশ করেছেন অনেক ফিলিস্তিনি। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র সালাহ আল-বারদাউইল এবং ফাতাহ আন্দোলনের মুখপাত্র জিব্রিল রাজুবও শ্যারনকে অপরাধী বলে উল্লেখ করেছেন।
গণহত্যার জন্য শ্যারনের বিচার করা উচিত ছিল: এইচআরডাব্লিউ
তেলে আবিব: লেবাননের ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির সাবরা ও শাতিলায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালানোর দায়ে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল শ্যারনের বিচার হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বিচার করার আগেই তার মৃত্যু লজ্জাজনক। শ্যারন ছিলেন একজন দাগী অপরাধী, ইয়াসির আরাফাতকে হত্যার জন্য সে দায়ী।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)একথা বলেছে।সংস্থাটির  মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা বিভাগের পরিচালক  সারাহ লি হোয়াইটসন এক বিবৃতিতে শ্যারনের নিন্দা জানিয়ে এ মন্তব্য করেছেন।
গতকাল শনিবার ৮৫ বছর বয়সী শ্যারন মারা গেছেন। ২০০৬ সালের ৪ জানুয়ারি সাবেক ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী শ্যারন স্ট্রোক করে কোমায় চলে যান। তারপর থেকে গত আট বছর অচেতন অবস্থায় ছিলেন তিনি।
১৯৮২ সালে লেবাননের বিরুদ্ধে চালানো আগ্রাসী যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্যারন এবং সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে শত শত নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেন তিনি। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের বাইরে অবস্থিত এ দুই শিবিরে শ্যারনের পক্ষ থেকে লেবাননের পেটোয়া বাহিনীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসের এ নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ড ঘটে। সে সময় শ্যারন ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী ছিলেন এবং এ হত্যাকাণ্ডে ভূমিকার জন্য তাকে ‘বৈরুতের কসাই’ বলে অভিহিত করা হয়।
সারাহ লি হোয়াইটসন তার বিবৃতিতে বলেন,  সাবরা ও শাতিলায় হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য মানবাধিকার বিরোধী ভূমিকার জন্য বিচার হওয়ার আগে শ্যারনের ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছে; যা সত্যিই লজ্জাজনক। এ ছাড়া, ২০০৪ সালে ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের হত্যাকাণ্ডে ভূমিকা পালনের জন্যও মানবাধিকার গোষ্ঠী এইচআরডব্লিউ’র পরিচালক কঠোর ভাষায় শ্যারনের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, শ্যারন একজন দাগী অপরাধী, ইয়াসির আরাফাতকে হত্যার জন্য সে দায়ী। তিনি জানান, শ্যারনের এ সব ভূমিকার কারণে তার বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে হাজির করা হবে বলেও আশা করেছিল এইচআরডব্লিউ।
এদিকে, শ্যারনের মৃত্যুতে ফিলিস্তিন ও লেবাননে উল্লাস প্রকাশ করেছেন অনেক ফিলিস্তিনি। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র সালাহ আল-বারদাউইল এবং ফাতাহ আন্দোলনের মুখপাত্র জিব্রিল রাজুবও শ্যারনকে অপরাধী বলে উল্লেখ করেছেন।