ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের দুর্নীতির সাথে স্ত্রী মিসেস বিলকিস আক্তারের সম্পৃক্ততা আছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে বিলকিস আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন উপ-পরিচালক আহসান আলী।
প্রায় দুই ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশে তাদের যে যৌথ একাউন্ট রয়েছে এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানা গেছে অর্থপাচারের সঙ্গে মিসেস বিলকিস আক্তারেরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। বিদেশে পাচার করা টাকার কথা বাংলাদেশের আয়কর নথিতে তারা গোপন করেছেন। আবার সর্বশেষ ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে ওই টাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইবাছাই করে অধিকতর তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধেও মামলা করা হবে।
দুদক সূত্র জানায়, খন্দকার মোশররফ ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ছিলেন। সে সময় তিনি ক্ষমতা অপব্যবহার করে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা গোপন করেন। আইন লঙ্ঘন করে তার এবং তার স্ত্রীর নামে যুক্তরাজ্যের একটি ব্যাংকে ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩'শ ৮১ টাকা পাচার করেন।
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২ এর ১৩ ধারা এবং ২০০৯, ২০১২-এর ৪ ধারা মোতাবেক দুদক গত ৬ ফেব্রুয়ারি রমনা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ইতোমধ্যে খন্দকার মোশাররফকে ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
[b]ঢাকা, ৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসআর[/b]
শ্রেণীহীন
মোশাররফের দুর্নীতির সঙ্গে স্ত্রীর সম্পৃক্ততা আছে: দুদক
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের দুর্নীতির সাথে স্ত্রী মিসেস বিলকিস আক্তারের সম্পৃক্ততা আছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।





