[b]জুবা:[/b] দক্ষিণ সুদানের যুদ্ধরত দুই পক্ষের মধ্যে তাড়াতাড়ি একটি যুদ্ধ বিরতির দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ।
সংস্থাটি বলছে দেশটিতে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পরছে সেটা চলতে থাকলে নতুন এ দেশটি ধ্বংসের পথে যাবে।
এদিকে যদিও সংঘর্ষে লিপ্ত এই দুই দল ইথিওপিয়াতে শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারপরেও দেশটিতে তারা সংঘর্ষ বন্ধ করেনি।
দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের প্রধান হিলডা জনসন বিবিসিকে বলেছেন দেশটিতে মানবাধিকার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে।
গত মাসে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।
মিস জনসন বলছিলেন এটা পরিষ্কার যে মানুষ এখানে ভয়াবহভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছ।
অনেকে এখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু এখনো যেসব সাধারণ মানুষ রয়েছেন তারা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট সালভা কির ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রিক মাচারের সমর্থকদের মধ্যেকার এই সংঘর্ষে সেখানে অনেক বেসামরিক মানুষ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলেও জানা গেছে ।
বিশেষ করে হামলার শিকার হচ্ছেন বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
জনসন বলেন এটা সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে।
তিনি বলছিলেন এটা একটা রাজনৈতিক সংঘাত তাই এটাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে।
তবে সবার আগে তাদেরকে যুদ্ধবিরতিতে আসতে হবে।
এদিকে ইথিওপিয়াতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শান্তি আলোচনায় উভয় পক্ষ যোগ দিতে সম্মতি জানালেও তারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রেখেছে।
প্রেসিডেন্ট সালভা কির দেশটির দুটি এলাকায় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে।
যেখানে সংঘর্ষ অতি মাত্রায় দেখা গেছে এবং যার বেশিরভাগ এলাকা বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বিবিসির একজন সংবাদদাতা জানাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ শহর বোর এ ব্যাপক হারে সংঘর্ষ চলছে।
কির জানিয়েছেন শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইথিওপিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়া দিয়েছে।
তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি আলোচনা করে যুদ্ধ বিরতিতে আসাটা কিছুটা কঠিন হবে ।
কারণ ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্ট কির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রিক মাচারের সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগির প্রশ্নে অসম্মতি জানিয়েছেন।
এদিকে পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোর নেতারা দেশটির সংকট নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সোমবার উগান্ডার প্রেসিডেন্ট বিদ্রোহীদের কে হুমকি দিয়ে বলেন মঙ্গলবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে না আসলে তারা সেখানে সৈন্য পাঠাবে।
মাচার বলেছেন প্রাথমিক কোন আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত তার অনুগত সৈন্যদের তিনি থামতে নির্দেশ দেবেন না।
প্রেসিডেন্ট সালভা কির অভিযোগ করেন,ক্ষমতা দখলের বাসনা থেকে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রিক মাচার সংঘর্ষের সূত্রপাত করেন। তাকে গত বছর জুলাইয়ে বরখাস্ত করা হয়।
রাজধানী জুবায় ১৫ ডিসেম্বর দুই পক্ষের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
তেল উৎপাদনশীল এলাকাগুলোতে দ্রুত সেই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরে। সূত্র: বিবিসি
শ্রেণীহীন
দক্ষিণ সুদানে যুদ্ধ বিরতির দাবি জাতিসংঘের
জুবা: দক্ষিণ সুদানের যুদ্ধরত দুই পক্ষের মধ্যে তাড়াতাড়ি একটি যুদ্ধ বিরতির দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে দেশটিতে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পরছে সেটা চলতে থাকলে নতুন এ দেশটি ধ্বংসের পথে যাবে।





