উপজেলা পরিষদের ১ম পর্বের নির্বাচনে গড়ে ৫৯.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ'। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেয় সংগঠনটি।
এ সময় লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের পরিচালক মো. আব্দুল আলিম বলেন,‘এ নির্বাচনে ৬৩টি জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা এবং ৩৮ জায়গায় ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। ৪০টি কেন্দ্রে দেখা গেছে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা নিরাপত্তাবাহিনী কোনো না কোনোভাবে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। ২০টি কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।’
এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী ভোটারদের ভয় দেখানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
আব্দুল আলিম বলেন, ‘ভোট গণনার সময় ২৯টি কেন্দ্রে সহিংসতা ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে ২৭টি ব্যালট বাক্সে নিরাপত্তা সিল যথাযথভাবে লাগানো ছিল না।’
ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক আরো বলেন, 'উপজেলা নির্বাচনে ৭ বিভাগ থেকে বাছাইকৃত ২৫টি উপজেলায় ২০৩৫ জন পর্যবেক্ষকের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর ও সাটুরিয়া এবং বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’র ৪ জন পর্যবেক্ষককে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা ও হয়রানি করা হয়েছে'।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সদস্য হারুন উর রশিদ, রোকসানা খন্দকার, এএইচ এম নোমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
'৪০ টি কেন্দ্রের কর্মকর্তা বা নিরাপত্তাবাহিনী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন'
উপজেলা পরিষদের ১ম পর্বের নির্বাচনে গড়ে ৫৯.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ'। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেয় সংগঠনটি। এ সময় লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের পরিচালক মো. আব্দুল আলিম বলেন





