[b]নারায়ণগঞ্জ:[/b]জেলার এক্সপোর্ট ও লোকাল কোয়ালিটির বিভিন্ন ধরনের সুতার বাজারে মন্দাভাব চলছে। গত তিন মাসে দেশের প্রধান বিরোধী দলের ডাকা হরতাল অবরোধের কারণে সুতার বাজার দর খুববেশি উঠানামা না করলেও বাজারে মন্দাভাব অব্যাহত আছে।শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে সুতার কেনাবেচা।
হরতাল অবরোধের কারণে পরিবহণ বন্ধ থাকায় বিভিন্ন কাউন্টের সুতার দর ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, হরতাল অবরোধের কারণে পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ক্রেতার নারায়ণগঞ্জে আসছেন না। ফলে সুতার কেনাবেচার বাজারে মন্দাভাব পড়েছে। ফলে কেনাবেচা একেবারে শূন্যের কোটায় নেমে গেছে। এছাড়াও কারখানাগুলোতেও নতুন করে সুতার উৎপাদন কমে গেছে। সেই সাথে তুলার মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুতার দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার ঘুরে জানা যায়, বর্তমান বাজারে ৩০ কাউন্টের সুতা প্রতি পাউন্ড বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায়, ৪০ কাউন্টের প্রতি পাউন্ড সুতা ১১৫ থেকে ১২৫ টাকা, ৫০ কাউন্টের সুতা প্রতি পাউন্ড ১৩০ থেকে ১৪৩ টাকা, ১০ কাউন্টের সুতা ৪০ থেকে ৭৫ টাকা, ১৬ কাউন্টের প্রতি পাউন্ড ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ৫০ কাউন্ট ৭৯ থেকে ৮২ টাকা দরে প্রতি পাউন্ড সুতা বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে তেমন ক্রেতা সমাগম চোখে পড়েনি।
বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি মাহফুজুর রহমান খান জানান, অবরোধের কারণে নারায়ণগঞ্জের সুতার বাজারে চলছে মন্দাভাব। বাজারে কোন ক্রেতা না থাকায় কমে গেছে সুতার বিক্রি। এছাড়াও অবরোধের কারণে পরিবহন বন্ধ থাকায় বাইরের জেলাগুলো মাল পাঠানো সম্ভব হচ্ছেনা। তাই নতুন করে কোন অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।
শহরের টানবাজারের মেসার্স কটন লিংকের স্বত্তাধিকারী মনির হোসেন জানান,এখন মৌসুম চলছে তবুও বাজারে ক্রেতা নেই। বিরোধী দলের হরতাল অবরোধের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের পরিচালক মিন্টু সাহা জানান,তুলার দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুতার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সুতার বাজার বর্তমানে ক্রেতা সংকটে ভুগছে।
বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের পরিচালক সাইদুর রহমান মোল্লা জানান, হরতাল অবরোধের কারণে ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় মাল সরবরাহ করতে পারছিনা। মালের চাহিদাও অনেক কমে গেছে। সব কিছু মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জের সুতার বাজারে এখন মন্দাভাব চলছে।