অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সেগুনবাগিচার দুদক কার্যালয়ে রোববার সকাল ১০টা থেকে তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক আহসান আলী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
দুদক সূত্র জানায়, এমপি বদির হলফনামা ও আয়কর বিবরণী পর্যালোচনা শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তারের আয়কর বিবরণীও পর্যালোচনা করা হয়েছে।
আবদুর রহমান বদির হলফনামা অনুসারে, জীবনে প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার পর পাঁচ বছরে তার আয় বেড়েছে ৩৫১ গুণ। আর নিট সম্পদ বেড়েছে ১৯ গুণের বেশি। হলফনামায় বদি কেবল আয়কর বিবরণীতে প্রদর্শিত অর্থ ও সম্পদের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি গত পাঁচ বছরে আয় করেছেন ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪০ টাকা। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ও টেকনাফে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করে এ টাকা অর্জন করেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামা অনুসারে এমপি বদির বার্ষিক আয় সাত কোটি ৩৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০৮ টাকা। আর বার্ষিক ব্যয় দুই কোটি ৮১ লাখ ২৯ হাজার ৯২৮ টাকা।
২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছিলেন, তার বার্ষিক আয় দুই লাখ ১০ হাজার ৪৮০ টাকা। আর ব্যয় দুই লাখ ১৮ হাজার ৭২৮ টাকা। তখন (২০০৮) বিভিন্ন ব্যাংকে আবদুর রহমানের মোট জমা ও সঞ্চয়ী আমানত ছিল ৯১ হাজার ৯৮ টাকা। পাঁচ বছরের মাথায় এসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট কোটি পাঁচ লাখ ১০ হাজার ২৩৭ টাকা।
তার হাতে ২০০৮ সালের নভেম্বরে নগদ টাকা ছিল দুই লাখ সাত হাজার ৪৮ টাকা। আর এখন ৫০ লাখ টাকা। এ ছাড়া এখন স্ত্রীর কাছে নগদ টাকা আছে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ২৬৫ টাকা।
আয়কর বিবরণীতে তিনি দেখিয়েছেন সাত কোটি ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৮ টাকা। আর নিট সম্পদের পরিমাণ বলা হয়েছে নয় কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৩ টাকা।
পাঁচ বছর আগে ২০০৮ সালের আয়কর বিবরণী অনুসারে, তখন তার বার্ষিক আয় ছিল দুই লাখ ১০ হাজার ৮৮০ টাকা। আর নিট সম্পদ ছিল ৪৭ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮৩ টাকার।
১২ জানুয়ারি কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এমপি বদিসহ সাতজনের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
[b]ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এফএ[/b]
শ্রেণীহীন
এমপি আবদুর রহমান বদিকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে রোববার সকাল ১০টা থেকে তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে





