উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘন প্রতিরোধী ও আইন ভঙ্গকারীকে তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতে এক হাজার ৭৫জন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপের ৯৮ উপজেলার জন ৩৯২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯৮ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং দ্বিতীয় ধাপের ১১৭ উপজেলার জন্য ৪৬৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১১৭ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।
নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেটরা আচরণ বিধি প্রতিপালনের বিষয়টি দেখভাল করবেন। ইসির আইন শাখার কর্মকর্তারা জানান, প্রত্যেক উপজেলায় ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এসব ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে।
আইন শাখার কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার পর্যায়ের সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রার্থীরা আচরণবিধি লংঘন করছে কীনা তা তদারকি করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
এসব কর্মকর্তা নির্বাচনী এলাকায় মোবাইল টিম হিসেবে টহল দেন। তাদের সম্মুখে কিংবা উপস্থিতিতে কোন প্রার্থী কিংবা তার পক্ষে অন্যকোন ব্যক্তি বিধি ভঙ্গ করলে এবং দায় স্বীকার করা মাত্রই শাস্তি দিতে পারেন তারা।
অপরদিকে, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম তদন্তে সামরী ট্রায়ালের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক সাজা ও অর্থদন্ড দিতে পারেন। এসব কর্মকর্তা নির্বাচনী এলাকায় নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করেন। প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থী আচরণবিধি লংঘন কিংবা গুরুতর অপরাধ করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি অনিয়ম তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন।
সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ডেকে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানীর করেন। অভিযোগের সত্যতা মিললে ট্রাইবুনাল সর্বোচ্চ ৭ বছর সাজা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়দ­ দিতে পারেন।  নির্বাচন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ থেকে ভোট গ্রহণের পরের দিন পর্যন্ত প্রতিটি উপজেলায় একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ভোট গ্রহণের দুইদিন আগে থেকে ভোট গ্রহণের পর দিন পর্যন্ত প্রতিটিতে তিনজন নির্বাহী ও একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
[b]ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//ইএইচ[/b]