[b]প্যারিস:[/b] প্যারিসে হাজার হাজার কুর্দি মুসলিম বিক্ষোভ করেছেন। কুর্দিদের রাজনৈতিক সংগঠন কুর্দিস্থান ওয়ার্কার্স পার্টি'র (পিকেকে) তিনজন নেতা নিহত হওয়ার জের ধরে এ বিক্ষোভ করেন তারা। রয়টার্সের বরাত দিয়ে ওয়ার্ল্ড বুলেটিন শনিবার এ খবর জানিয়েছে।
জানা গেছে, ইউরোপে ফ্রান্সে বসবাসকারী তিনজন কুর্দি নেতাকে হত্যার বিচার চেয়ে এ বিক্ষোভ করা হয়। গত বছর অর্থ্যাৎ ২০১৩ সালে তারা আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে পিকেকে'র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাকিনে কানসিজও রয়েছেন। এ ছাড়া আরো দুজন কুর্দি নারী নিহত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, তুরস্ক, ইরাক ও সিরিয়া এই তিন দেশের সীমান্ত বরাবর কুর্দি জাতীয় মুসলমানদের বাস। এই তিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সমন্বয়ে তারা একটি স্বাধীন আবাসভূমির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছে। আর কুর্দিদের এ লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে কুর্দিস্থান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে।
১৯৮০'র দশকের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত পিকেকে ব্যাপক রক্তপাতের পথ বেছে নেয়। তবে, কুর্দি অঞ্চল শাসনকারী দেশগুলোও তাদের স্বাধীনতা দিতে রাজি নয়।
শনিবার কুর্দি তিন নেতার হত্যাকাণ্ডের এক বছর পূরণ হয়েছে। এক বছরের মাথায় তদন্ত কাজের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন ইউরোপে বসবাসকারী কুর্দিরা। এজন্যই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী কুর্দিরা ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এসে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে কয়েক হাজার কুর্দি অংশ নেন।
কুর্দিরা হত্যাকাণ্ডের পেছনে তুরস্ক সরকারের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে। তবে, তুরস্ক সরকার এ দাবি অস্বীকার করে আসছে। প্যারিসের তদন্তকারী পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্যারিস অভিবাসী একজন তুর্কি নাগরিকের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে, তদন্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সূত্র: ওয়ার্ল্ড বুলেটিন
টাইম নিউজ/এসএমএ