যুক্তরাষ্ট্রে এক মাস ছুটি শেষে আগামীকাল ( সোমবার) বাংলা নর্ববর্ষের প্রথম দিন (পহেলা বৈশােখ) দেশে ফিরছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ।
সিইসি সোমবার সকালে তুর্কি এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। রোববার নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সূত্র জানায়, ভিআইভি লাউঞ্জ ব্যবহার করার জন্য গত ১০ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের পরিচালক এবং প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন।
সিইসি রকিবউদ্দিন গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিতর্কিত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। এরপর হুট করে উপজেলা নির্বাচন ফেলে গত ৩ মার্চ তিনি হঠাৎ করেই যুক্তরাষ্ট্র যান। এ নিয়ে দেশের গণমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে। বিএনপিসহ সিভিল সোসাইটিদের সংগঠণ সুজন বরাবরই সিইসির বিদেশ সফরকে এক ধরনের ফাকিবাজি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কারণ উপজেলায় নিদারুন সহিংসতা এবং শত শত অভিযোগের কোন সুরাহা না করে তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেশের বাইরে চলে যান।
এ বিষেয় রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছিলেন, সিইসি ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। তিনি যুক্তরাষ্ট্র আছেন। তার সঙ্গে অন্য নির্বাচন কমিশনার এবং আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
এ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মাজহারুল ইসলাম বলেন, সিইসি স্যার সোমবার সকালে তুর্কি এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ আর দায়িত্বে থাকছেন না এমন একটি গুঞ্জন উঠেছিল খোদ নির্বাচন কমিশনেই। তিনি আর দেশে ফিরবেন না বলেও অনেক কর্মকর্তা মন্তব্য করেছিলেন।
এক মাসের এ সফরে সিইসি তার মেয়ের বাসায় ছিলেন বলে ইসির জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে।
[b]ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস[/b]
শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরছেন সিইসি
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাস ছুটি শেষে আগামীকাল সোমবার বাংলা নর্ববর্ষের প্রথম দিন দেশে ফিরছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে তুর্কি এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, পুরো নির্বাচনি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চায়।
আন্দোলনকারীরা ভারতের সিইসি’র পদত্যাগ চাইছেন কেন !
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম ঘিরে বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার হারিয়েছেন লাখ লাখ নয়, বরং কয়েক কোটি যোগ্য ভোটার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলিম রয়েছেন।
সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা সিজেপির
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। আন্দোলনকারীরা বলছে, শুধু সিইসির পদত্যাগ নয়, নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
সিইসির পদত্যাগ ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়া অর্থহীন: অভিজিৎ দীপকে
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এমনকি ভোটের ফল আগেই নির্ধারণ করে রাখার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নারীদের অংশগ্রহণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ। এজন্য নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
















