কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়  এক হিন্দু বিধবাকে বেদম পিটিয়ে জখম করেছেন এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে। নির্যাতনের শিকার রানী দাস বৃহস্পতিবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
এঘটনায় রানী দাস কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দাখিল করেছেন। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গত রবিবার রাতে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের নাচনাপাড়া এলাকায় বঙ্গবন্ধু কলোনীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি মেম্বার আবদুস সোবাহান বিশ্বাসের ছেলে রিপন বিশ্বাস নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটান।
মামলা সূত্রে যানা যায়, সংখ্যালঘু বিধবা রাণী দাসকে কুপ্রস্তাবে রাজি করতে না পেরে ঘর থেকে টেনেহিচড়ে বাইরে এনে বেধড়ক মারধর করেছে রিপন বিশ্বাস। এরপর থেকে একমাত্র ছেলে কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে চরম নিরাপত্তহীনতায় রয়েছেন ওই বিধবা।
এ ঘটনায় শৈলেন বেপারী, বাবুল মিস্ত্রি ও মূল আসামি রিপন বিশ্বাসকে আটক করেছে পুলিশ।
রাণী জানান, দীর্ঘদিন তাকে নানা প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করে আসছিল ইউপি মেম্বার আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সোবাহান বিশ্বাস। এতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্নভাবে ভিটা থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করে আসছিল মেম্বারসহ ওই এলাকার কল্যাণ বেপারী, শৈলেন বেপারীসহ একটি চক্র।
সর্বশেষে গত রবিবার রাতে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় রাণীকে। বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়েছে। ওই রাতে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম তারিকুল ইসলাম জানান, থানায় অবগত করার সঙ্গে সঙ্গে তড়িত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।