আজ পহেলা বৈশাখে উদযাপনে মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। ‘জাগ্রত করো উদ্যত করো নির্ভয় করো হে’ এই স্লোগানের মধ্যদিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়।
সোমবার সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ ও রূপসী বাংলা মোড় ঘুরে টিএসসি হয়ে আবার চারুকলা অনুষদে শেষ হয়।
সার্বজনীন এ শোভাযাত্রার নানা শিল্প-কাঠামোয় এবার প্রাধান্য পেয়েছে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধময় বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। সঙ্গে আছে বাঙালীর শেকড় সংলগ্ন লোকজ সংস্কৃতির নানা আবহ। এবারের শোভাযাত্রার সর্বাগ্রে আছে সুখ-সমৃদ্ধির বার্তাবহ মা ও শিশু শীর্ষক শিল্প-কাঠামোটি। ১৭ ফুট উচ্চতার এই শিল্পকর্মে মায়ের এক হাতের বন্ধনে বুকে জড়িয়ে আছে তার শিশুটি, আর অপর হাতে আছে একটি কলসি।
পবিত্রতা ও সরলতার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে হরিণ শাবকের কাঠামো। সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে বিশাল একটি মা মাছের পাশে দেখা যাচ্ছে সন্তানতুল্য দুটি ছোট মাছকে। একই রকম অর্থ নিয়ে বড় আকারের একটি বিড়ালের মুখে ঝুলছে চিংড়ি মাছ। লোকজ গল্প কিংবা রূপকথার আবহ নিয়ে উদ্ভাসিত হয়ে বাঘের পিঠে চড়ে বসা গাজী। গাঢ় হলুদ রঙের ভেতর ডোরাকাটা কালো রং দিয়ে সাজানো বাঘটিকে। আর গাজীর পোশাকে আছে নীল, সাদা, হলুদ ও লাল রঙের আবহ। লোকজ সংস্কৃতির নির্যাস নিয়ে কাঠের ফ্রেমের উপর উপস্থাপিত হয়েছে বিশালাকারের এক শখের হাঁড়ি।
এবারের শোভাযাত্রায় সরাসরি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখা না মিললেও ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে দৃশ্যমান আছে বড় আকারের দুটি বাঘের মুখোশ। আবহমান গ্রামবাংলার রূপকল্প তুলে ধরতে শোভাযাত্রায় আছে একটি বড় আকৃতির হাঁস। সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে দেখা যাচ্ছে নয়নজুড়ানো রঙের সম্ভারে গড়া পাখা মেলা ময়ূরের। এসবের সঙ্গে লোকজ সংস্কৃতির আরেক স্মারক লক্ষ্মীপেঁচা। এ ছাড়া আছে মুখোশের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা রাজা-রানী, উজির-নাজির, বাঘ, পেঁচা, টেপা পুতুলসহ নানা আকৃতি ও বর্ণের প্ল্যাকার্ড।
বাঙালির বর্ষবরণের আনন্দ আয়োজনে মিশে আছে মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে প্রতিবছরই পহেলা বৈশাখে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
এই শোভাযাত্রায় চারুকলার শিক্ষক শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন স্তরের, বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে। এই শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী শিল্পকর্ম বহন করা হয়। থাকে বাংলা সংস্কৃতির পরিচয়বাহী নানা প্রতীকী উপকরণ, রং বেরংয়ের মুখোশ ও বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিলিপি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হয়েছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা।
শুরু থেকেই চারুকলার শোভাযাত্রাটির নাম মঙ্গল শোভাযাত্রা ছিল না। তখন এর নাম ছিল বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা। ১৯৯৬ সাল থেকে চারুকলার এই আনন্দ শোভাযাত্রা মঙ্গল শোভাযাত্রা হিসেবে নাম লাভ করে। তবে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রা চারুকলায় ১৯৮৯ সালে শুরু হলেও এর ইতিহাস আরো কয়েক বছরের পুরানো। ১৯৮৫ বা ১৯৮৬ সালে চারুপীঠ নামের একটি প্রতিষ্ঠান যশোরে প্রথমবারের মতো নববর্ষ উপলক্ষ্যে আনন্দ শোভযাত্রার আয়োজন করে। যশোরের সেই শোভাযাত্রায় ছিল পাপেট, বাঘের প্রতিকৃতি, পুরানো বাদ্যসহ আরো অনেক শিল্পকর্ম। শুরুর বছরেই যশোরে সেই শোভাযাত্রা আলোড়ন তৈরি করে। যশোরের সেই শোভাযাত্রার উদ্যোক্তাদের একজন মাহবুব জামাল শামীম মাস্টার্স ডিগ্রি নিতে পরে ঢাকার চারুকলায় চলে আসেন। পরবর্তীতে যশোরের সেই শোভাযাত্রার আদলেই ঢাকার চারুকলা থেকে শুরু হয় বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।
[b]ঢাকা, ১৪ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ
[/b]
মঙ্গল শোভাযাত্রায় লাখো মানুষের ঢল
আজ পহেলা বৈশাখে উদযাপনে মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। ‘জাগ্রত করো উদ্যত করো নির্ভয় করো হে’ এই স্লোগানের মধ্যদিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। সোমবার সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ ও রূপসী বাংলা মোড় ঘুরে টিএসসি হয়ে আবার চারুকলা অনুষদে শেষ হয়
‘২০ লাখ টাকায় একেকটা ডিলারশিপ বিক্রি করেছে বিএনপির এমপিরা’
যোগ্যতা ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে সার ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তাঁর দাবি, দলীয় নেতাকর্মী ও স্বজনদের ডিলারশিপ দেওয়ার কারণে কৃষকেরা সারসংকটে পড়ছেন। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাবের অভিযোগ তুলে ক্ষমতাসীনদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
জুলাইয়ের চেতনা ভুলে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে বিএনপি: সাদিক কায়েম
জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে পাশ কাটিয়ে বর্তমান বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে পুনর্বাসন করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।
জামায়াত এমপি প্রতিবন্ধীরাই সমাজে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত এবং বিগত দিনে কোনো সরকারই তাদের প্রতি যথাযথ নজর দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
ঢাবি থেকে চূড়ান্তভাবে আলাদা হলো সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সঙ্গে সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত তথ্যের আনুষ্ঠানিক সংযোগের অবসান ঘটেছে। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সব তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্য দিয়ে তথ্য-উপাত্ত হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
সাদিক কায়েম ভেরিফিকেশনের পর এবার প্রশ্নফাঁসের তামাশা
‘ভেরিফিকেশনের পর এবার প্রশ্নফাঁসের তামাশা শুরু করল বিএনপি সরকার, ঠিক যেন আওয়ামী যুগে ফিরে যাচ্ছি আমরা’, এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।
















