চতুর্থ দফা ৯১টি উপজেলায় নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে এখন পর্যন্ত ৮৭টির বেসরকারী ফলাফল জানা গেছে। এরমধ্যে   ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৫১ প্রার্থী, বিএনপি সমর্থিত ২১ প্রার্থী, জামায়াত সমর্থিত ৫ প্রার্থী, জাতীয় পার্টি সমর্থিত ১ প্রার্থী এবং অন্যান্য ৯ প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের ৪৩ জেলার ৯১ উপজেলায় বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়।
সংঘর্ষ, কেন্দ্রদখল, জাল ভোট, অগ্নিসংযোগ, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও বোমা হামলাসহ নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ভোটগ্রহণ।
[b]আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন:[/b]
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রফিকুর রহমান, আজমীরীগঞ্জে আতর আলী মিয়া, খুলনার দাকোপে আবুল হোসেন, যশোর সদরে শাহিন চাকলাদার, বটিয়াঘাটায় আশরাফুল আলম খান ও খুলনার তেরখাদায় শরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, কুমিল্লার মেঘনায় আব্দুস সালাম, দিনাজপুরের বোছাগঞ্জে ফরহাদ হাসান, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে আলমগীর চৌধুরী, টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে মোজহারুল ইসলাম ও মধুপুরে সারোয়ার আলম খান, পিরোজপুর সদরে মজিবুর রহমান খালেক ও মঠবাড়িয়ায় আশরাফুর রহমান, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আতাউল হক, সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ফিরোজ আহমেদ স্বপন, পাবনার ফরিদপুরে খলিলুর রহমান, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে আব্দুল লতিফ অমল, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফিরোজ আল-মামুন, কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আব্দুস শহিদ ও কটিয়াদিতে আব্দুল ওয়াহাব, ভোলার মনপুরায় সেলিনা আক্তার, দৌলতখানে মঞ্জুর আলম খান ও তজুমুদ্দিনে ওয়াহিদউদ্দীন জসিম, ফেনীর ফুলগাজীতে একরামুল হক ও সোনাগাজীতে জেড এম কামরুল আনাম, ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ফারুক সিকদার, শ্রীমঙ্গলে রনবীর কুমার দে, ।
[b]বিএনপির বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন:[/b]
মৌলভীবাজার সদরে মিজানুর রহমান, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম, শেরপুরের নালিতাবাড়িতে একেএম মোখলেসুর রহমান, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জিয়াউল ইসলাম জিয়া, কক্সবাজারের রামুতে আহমেদুল হক, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে আব্দুল মজিদ, নাটোরের বড়াইগ্রামে একরামুল আলম, দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে খুরশিদ আলম, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় মোতালিব খান, সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে আব্দুল্লাহ আল-মামুন, চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে দেলোয়ার হোসেন, নেত্রকোনার মদনে এম এ হান্নান, বরগুনার কাঠালিয়ায় শাহজাহান কবির ও সুনামগঞ্জের শাল্লায় গনেন্দ্র চন্দ্র সরকার। [b]
জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন:[/b]
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে মোস্তাফিজুর রহমান, পিরোজপুরের জিয়ানগরে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী,  বান্দরবানের নাইক্ষংছড়িতে তোফায়েল আহমেদ, সাতকানিয়ায় জসীম উদ্দিন ও চট্টগ্রামের বাশখালীতে মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
[b]জাতীয় পার্টির বিজয়ী প্রার্থী হলেন:[/b]
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় আতিকুল ইসলাম উজ্জল।
[b]অন্যান্য বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন:
[/b]পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সদরে সৈয়দ আহমদুল হক, লাখাইয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ ও আজমেরিগঞ্জে আতর আলী মিয়া, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বকর, কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী কামাল উদ্দীন ভুঁইয়া ও ভৈরবে স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন এবং রাঙামাটির জুড়াছড়িতে জেএসএস প্রার্থী উদয় জয় চাকমা বিজয়ী হয়েছেন।
[b]বিস্তারিত ফলাফল:[/b]
[b]আওয়ামী লীগ-সমর্থিতরা যেখানে জয়ী[/b]: ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় আ.লীগ সমর্থিত জেডএম কামরুল আনাম জয়ী হয়েছেন। তিনি ১৯-দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী নাজিম ওসমানীকে হারিয়েছেন।
জেলার ফুলগাজী উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একরামুল হক। তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২৫৯ ভোট। তার নিকটতম বিএনপি-সমর্থিত মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৯ হাজার ৪৯২ ভোট।
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত তৌহিদুল হক চৌধুরী।তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ১৩২।তিনি বিএনপি-সমর্থিত জালাল উদ্দিন আহমেদকে হারিয়েছেন।জালাল উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৪২ হাজার ৬০ ভোট।
রাজশাহী বাগমারা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত জাকিরুল ইসলাম সান্টু।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি-সমর্থিত মকলেছুর রহমান।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আবদুল ওয়াহাব আইনুদ্দীন ৬১ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত শহীদুজ্জামান পান ৫১ হাজার ৫৯৫ ভোট।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী ফরহাদ হাসান চৌধুরী (দোয়াত-কলম) ৩০ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি-সমর্থিত জুলফিকার হোসেন (আনারস) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৯ ভোট।
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আবদুস সালাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২২ হাজার ৩৩৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রমিজ উদ্দীন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৩৩ ভোট।
ভোলার তজুমুদ্দিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী ওহিদুল্লাহ জসিম (আনারস) ৪৪ হাজার ৬৯২ ভোট পেয়ে জিতেছেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ২ হাজার ৪৪৩ ভোট।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী ফিরোজ আল মামুন (হেলিকপ্টার) ৭৩ হাজার ২৮৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম সরকার (দোয়াত কলম)  পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৩৩৯ ভোট।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী মনজুর আলম খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৯০ ভোট।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনুর রশীদ বাবুল দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৩৭ ভোট।
খুলনার তেরখাদা উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী সরফুদ্দিন বিশ্বাস ৪৮ হাজার ৩৭১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত মেসবাহউল আলম পেয়েছেন নয় হাজার ৮৮২ ভোট।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আবু মো. আব্দুল লতিফ কমল জামায়াতে ই খলিলুর রহমানকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী খলিলুর রহমান সরকার ২৭ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী জহুরুল ইসলাম পেয়েছেন ১৮ হাজার ২২৩ ভোট।
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৫৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী এস এম কামাল হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮৭৪ ভোট।
একই জেলার মিঠামইন উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রাথী আব্দুস শহীদ ভূঁইয়া ২৬ হাজার ৩২৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী জাহিদুল আলমকে হারিয়েছেন। জাহিদুল আলম ১৮ হাজার ৭৩০ পেয়েছেন।
ভোলার মনপুরা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী সেলিনা আক্তার চৌধুরী। তিনি বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী শামসুদ্দিন চৌধুরী বাচ্চুকে ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সেলিনা আক্তার চৌধুরী পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৫৪। শামসুদ্দিন চৌধুরী বাচ্চু পেয়েছেন এক হাজার ১২ ভোট। তারা সম্পর্কে দেবর-ভাবী।
[b]বিএনপি-সমর্থিতরা যেখানে জয়ী[/b]: আখাউড়া উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত মো. মুসলিম উদ্দীন জয়ী হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আবুল কাশেম ভূইয়াকে হারিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ২২ হাজার ১০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মাহমুদুল আলম হজরত আলী ঘোড়া প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ২০৭ ভোট।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী খুরশিদ আলম (আনারস) ৪৬ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৪১২ ভোট।তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভোই।
শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত একেএম মোখলেছুর রহমান (মোটরসাইকেল) ৩৩ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী মোকসেদুর রহমান (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৩০ হাজার ৮৮২ ভোট।
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দেলওয়ার হোসেন (আনারস) ৪৪ হাজার ৫১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকতটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী হুমায়ূন কবির (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৩৪ ভোট।
বরগুনার বেতাগী উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এ বি এম গোলাম কবিরকে হারিয়ে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী শাহাজাহান কবির বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। শাহাজাহান কবির পেয়েছেন ২১ হাজার ৩০ ভোট। এ বি এম গোলাম কবির ১৩ হাজার ৫৩৩ ভোট পেয়েছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিকেলে এই ফল ঘোষণা করেন।
[b]জাতীয় পার্টি সমর্থিতরা যেখানে জয়ী:[/b] কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে জাতীয় পার্টি-সমর্থিত প্রার্থী কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া (দোয়াত-কলম) ১৭ হাজার ৫৯২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত সাইদুজ্জামান (টেলিফোন) পান ১৪ হাজার ৫১২ ভোট।
[b]জামায়াত-সমর্থিতরা যেখানে জয়ী:[/b] পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ বিন সাঈদী। তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ১৫২ ভোট। তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আবদুল খালেক গাজীকে হারিয়েছেন। আবদুল খালেক গাজী ৬ হাজার ৫৩২ ভোট পান। মাসুদ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া জামায়াতের নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ১৯-দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ৭৪ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আবু সাঈদ আল মাহবুব। তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৫৮৭ ভোট। আবু সাঈদ আল মাহবুব আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদের ভাই।
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বিএনপির সংস্কারপন্থী নেতা গিয়াস উদ্দিন ৪৬ হাজার ৩২৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত আরিফুল ইসলাম ৩৯ হাজার ৩৫৩ ভোট পান।
[b]ঢাকা, ২৩ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর // কেএইচ // জেআই // কেবি[/b]