[b]গাইবান্ধা:[/b] জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের খানাবাড়ী গ্রামে আসামি গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে যৌথবাহিনীর সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়েছে।
রোববার ভোর রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোববার ভোর রাতে যৌথবাহিনী ওই গ্রামে এক জামায়াত নেতার বাড়িতে অভিযানকালে গ্রামবাসী বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বিক্ষুদ্ধ এলাকবাসী যৌথবাহিনীর উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় যৌথবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। গ্রামবাসী পুলিশের একটি পিক ভ্যানে আগুন দেয়। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে যৌথবাহিনী। সংঘর্ষে ২২ পুলিশসহ আহত কমপক্ষে ৫০ জন। ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশের স্থানীয় সূত্র জানায়,অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। গ্রামের অধিকাংশ লোক পালিয়ে গেছে। থেকে থেকে গুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করতে রংপুর ও গাইবান্ধা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ,র্র্যাব ও বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু কুয়াশার কারণে তাঁরা দ্রুত এগোতে পারছিলেন না।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন জানান, গ্রামবাসীদের ইটের আঘাতে ছয় জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
শ্রেণীহীন
সুন্দরগঞ্জে যৌথবাহিনীর সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৫০
জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের খানাবাড়ী গ্রামে আসামি গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে যৌথবাহিনীর সাথে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার ভোর রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।





