বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় দফায় ৫২টি জেলার ১১৫ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে, শুরু হয়েছে ভোট গণনা।
সকাল আটটায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে একটানা বিকেল চারটা পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাচনে ২১টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বরিশাল সদর উপজেলায় ১১, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ৮, ফেনীর একটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূতের কারণে নোয়াখালী সদরের ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিকেল পৌনে চারটায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ১১৫টি উপজেলা নির্বাচনে মোট আট হাজার ৩২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়।
এর মধ্যে বিশৃঙ্খলা হওয়ায় ২১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় তফসিল ঘোষণা করা হয়, ১১৭টি উপজেলার। এর মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর ভোট হবে ১ মার্চ এবং চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা নির্বাচনে আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে, ১১৫টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়।
এ সব উপজেলায় মোট এক হাজার ৩৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রয়েছে ৫০০ জন। ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা ৫০৬ জন। ভাইস-চেয়ারম্যান (নারী) প্রার্থীর সংখ্যা ৩৩৪ জন। মোট ভোটার এক কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৮ লাখ ৫ হাজার ১৫০ জন, নারী ভোটার ৯৭ লাখ ৮৭ হাজার ৭১৮ জন।
দ্বিতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এক হাজার ৩৪০ জন প্রার্থী।
মোট আট হাজার ৩২টি ভোটকেন্দ্র, ৫১ হাজার ১২৯টি ভোটকক্ষ রয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসার প্রতি ভোটকেন্দ্রে একজন করে ৮ হাজার ৩২ জন। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার প্রতি ভোটকক্ষের জন্য এক জন করে মোট ৫১ হাজার ১২৯ জন এবং ১ লাখ ২ হাজার ২৫৮ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেন।
[b]ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে
বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় দফায় ৫২টি জেলার ১১৫ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে, শুরু হয়েছে ভোট গণনা। সকাল আটটায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে একটানা বিকেল চারটা পর্যন্ত।





