প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ পুলিশকে ভরসার স্থল হিসেবে দেখতে চায়। জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে হাত মেলালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিচিত করতে চাই। এজন্য প্রয়োজন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। এক্ষেত্রে পুলিশকে সহায়তা করতে হবে জনগণকে।
তিনি বলেন, দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে মডেল রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ‘পুলিশ সপ্তাহ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, এডিশনাল আইজি একেএম শহিদুল হকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাদের জন্য ৩০ ভাগ ঝুঁকিভাতা বাড়ানো হয়েছে। জনবল বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সার্বিক সক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সাইবার ক্রাইমসহ সকল অপরাধ শনাক্ত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে। থানা সংস্কারের কাজ চলছে।
পুলিশ বাহিনীর সফলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সীমানা পেরিয়ে পুলিশ সদস্যরা বিদেশেও সম্মান কুড়িয়েছেন। নারী পুলিশ সদস্যরাও অবদান রাখছেন।
পুলিশকে আধুনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বহুমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পুলিশ বিভাগে ৬১৪টি ক্যাডার পদসহ ত্রিশ হাজার আটশ’ ৩৩টি পদ প্রণোয়ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশান, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং দু’টি সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোডাকশন ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়েছে। সর্বস্তরের জনগণ এর সুফল পাচ্ছেন। এসআই/সার্জেন্ট পদকে তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় এবং ইন্সপেক্টর পদকে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদায় নিয়ে আসা হয়েছে।
প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা খাতে অর্থ বরাদ্দকে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করি।
অনুষ্ঠানের শেষে প্রধানমন্ত্রী নিহত ১৬ পুলিশ সদস্যের পরিবারসহ মোট একশ’ ০৫ পুলিশ সদস্যের হাতে বিপিএম ও পিপিএম পদক তুলে দেন।
[b]ঢাকা, ৬ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
মানুষ পুলিশকে ভরসার স্থল হিসেবে দেখতে চায়: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ পুলিশকে ভরসার স্থল হিসেবে দেখতে চায়। জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে হাত মেলালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিচিত করতে চাই





