[b]চট্টগ্রাম: [/b]চট্টগ্রাম নগরীতে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার গভীর রাতে কোতয়ালী ও পাহাড়তলী থানায় পৃথকভাবে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দু’টিতে শিবির ও যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আসামী করা হয়েছে।
কোতয়ালী থানায় দায়ের হওয়া মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রশিবির (দক্ষিণ) শাখার সভাপতি এইচ এম সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক,মহানগর ছাত্রশিবির (উত্তর) শাখার সভাপতি আমম মশরুর হোসাইনসহ শিবিরের ১৯ নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন গ্রেপ্তার আছে।
কোতয়ালী থানার সেকেণ্ড অফিসার এস আই উৎপল কান্তি বড়ুয়া বলেন, এএসআই শাহাজুল ইসলাম বাদি হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন। আসামীদের মধ্যে ১৩ জন পলাতক আছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর সাগরিকা এলাকায় পাহাড়তলী থানার ওসি আজিজুর রহমানের গাড়ি লক্ষ্য করে ‘পেট্রলবোমা’ ছুঁড়ে মারে এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের গুলিতে আরাফাত নামে এক যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পাহাড়তলী থানার ওসি আজিজুর রহমান জানান,পুলিশের উপর বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এস আই আবু সালেক বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
মামলায় আরাফাতসহ যুবদল ও ছাত্রদলের ১২ জন স্থানীয় নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে আরাফাত ছাড়া বাকি সবাই পলাতক বলে ওসি জানান।
শ্রেণীহীন
চট্টগ্রামে শিবির,যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা
চট্টগ্রাম নগরীতে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার গভীর রাতে কোতয়ালী ও পাহাড়তলী থানায় পৃথকভাবে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দু’টিতে শিবির ও যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আসামী করা হয়েছে।





