সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে চলছে বই বিতরন।বছরের এই সময়টি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের কাছে কেবল বই বিতরনই নয়,এটি একটি উৎসবও বটে। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশেষ করে স্কুলে সহিংসতার কারনে শিশুদের এই উৎসবে ছাই পড়েছে।
দশম জাতীয় সংসদ র্নিবাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।স্কুলে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করায় এই হামলার শিকার হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে না যায় সেই লক্ষেই আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহীনি ও বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।তারই অংশ হিসেবে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগের রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পেট্রোল বোমা সহ বিভিন্ন ভাবে আগুল দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।এই অবস্থায় স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা রয়েছেন চরম আতঙ্কে।অবিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, আগুনে ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষসহ চারটি কক্ষের চেয়ার-টেবিল, আলমারি, বই ও অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে স্কুলের ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়।
স্কুলের সহকারী শিক্ষক প্রবীর চন্দ্র ভৌমিক বলেন,স্কুলের যা ক্ষতি হবার তো হয়েছে।এখন শিক্ষার্থীদের ক্লাশ নেব কোথায়? বসার স্থান কোথায়? ওই স্কুলের সবচেয়ে বড় সঙ্কট আবাসন সমস্যা বলে তিনি জানান।তিনি আরো বলেন,যেকোন সময় নাশকতার আশঙ্কায় এখন স্কুলে আসতে আমার নিজেরও ভয় লাগে।
নির্বাচনের আগের দিন বিকেলে শহরের মাদ্রাসা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দু’টি পেট্রোল বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
তবে স্কুলটি বন্ধ থাকায় কেউ হতাহত হয়নি । বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা ওই স্কুলটির নিচতলা ও দোতলায় দুটি কক্ষে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আক্তার হোসেন টাইম নিউজকে বলেন,পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন দেওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম।আমরা শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অবিভাবকদের বুঝিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়ে আসছি। অবিভাবকরা চরম আতঙ্কে রয়েছে।
এবিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার অধিকারী টাইম নিউজকে বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম নাশকতা কারোরই কাম্য নয়।যারা এগুলো করছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু।আমরা অচিরেই দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেব।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান পিপিএম বলেন,বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করায় এই হামলা হয়েছে। স্কুলে নাশকতার সাথে জড়িতদের ধরতে প্রতি রাতেই পুলিশের অভিযান চলছে।তাদেরকে প্রেফতার না করা পর্য্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
[b]ব্রাহ্মণবাড়িয়ার,এসআই ,৫ ফেব্রুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
রাজনৈতিক সহিংসতার বলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে চলছে বই বিতরন।বছরের এই সময়টি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের কাছে কেবল বই বিতরনই নয়,এটি একটি উৎসবও বটে। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশেষ করে স্কুলে সহিংসতার কারনে শিশুদের এই উৎসবে ছাই পড়েছে। দশম জাতীয় সংসদ র্নিবাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের ন্যায়
হ্যালোইন ঘিরে ফ্রান্সে সহিংসতার শঙ্কা, মাঠে নামছে ৭০ হাজার পুলিশ
ফ্রান্সে হ্যালোইন উৎসবের দিন নতুন করে বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বিক্ষোভের নামে সহিংসতা ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৪-মব জাস্টিসে মৃত্যু ৯
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সারাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব জাস্টিসের মতো ঘটনায় মানবাধিকার পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক চিত্র উঠে এসেছে। মাসজুড়ে ৬৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৪ জন নিহত এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে মব সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৯ জন।
দখল, চাঁদাবাজি ও সহিংসতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত : টিআইবি
নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের একজন সদস্যের পৃষ্ঠপোষকতায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মধ্যরাতে পুলিশের উপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের নির্লজ্জ সহিংস লুটপাট, ভাংচুর ও জবরদখল; কিশোরগঞ্জের জলমহাল দখল নিয়ে স্থানীয় বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হওয়াসহ কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
ডিজিটাল সহিংসতা রোধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের
নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
দৈনিক খুন হচ্ছে ১০ জন, হত্যা-সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আসছে না কেন?
দেশে হত্যা ও সহিংসতার মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি আগের সরকারগুলো। বর্তমান সরকারও এখন পর্যন্ত এ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান সাফল্য দেখাতে পারেনি। এর মধ্যেই রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
















