চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনে প্রথম দফায় অনুষ্ঠিত ৯৭ উপজেলার ৯৬টির ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৩৪ উপজেলায় আওয়ামী লীগ, ৪৩ উপজেলায় বিএনপি ও ১৩ উপজেলায় জামায়াত, ১টিতে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য দল কিংবা স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৫ প্রার্থী।
চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গতকাল বুধবার ৯৭টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ হয়। সকাল আটটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।
[b]দলীয় হিসেবে প্রাপ্ত ফলাফল: [/b]
[b]আওয়ামী লীগ:[/b] বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে সরোয়ার আলম, নিকলীতে কারার সাইফুল ইসলাম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হাজি আবুল কালাম, শরীয়তপুরের জাজিরায় মোবারক আলী সিকদার, খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ম্রাগ্য মারমা, খুলনার দীঘলিয়ায় খান নজরুল ইসলাম, শরীয়তপুরের ডামুঢ্যায় আলমগীর হোসেন, হবিগঞ্জের বাহুবলে আবদুল হাই, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মোশাররফ হোসেন, ভোলার লালমোহন গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, নরসিংদীর পলাশে সৈয়দ জাবেদ হোসেন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আবুল কালাম, নীলফামারীর সৈয়দপুরে জুবায়দুল হক সরকার , পঞ্চগড় সদরে আনোয়ার সাদাত, দেবীগঞ্জে হাসানাত জামান চৌধুরী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আব্দুল কাদের, পাবনার সুজানগরে আবুল কাশেম, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী, নড়াইলের কালিয়ায় খান শামীমুর রহমান, ভোলার লালমোহনে গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, বরিশালের গৌরনদীতে শাহ আলম, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আবুল কালাম আজাদ ও পাংশায় ফরিদ হাসান, শরীযতপুরের গোসাইরহাটে সৈয়দ নসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ইদ্রিস আলী, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় আ স ম কামরুল ইসলাম।
[b]বিএনপি:[/b] বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন সিলেটের গোয়াইনঘাটে আবদুল হাকিম চৌধুরী, দিনাজপুরের খানসামায় মো. সহিদুজ্জামান শাহ, ভেদরগঞ্জে আলহাজ আনোয়ার হোসেন মাঝি, খাগড়াছড়ির রামগড়ে মো. শহীদুল ইসলাম ভূইয়া, হবিগঞ্জের মাধবপুরে সৈয়দ মোহাম্মদ শাজাহান, যশোরের অভয়নগরে নুরুল হক মোল্লা, মেহেরপুর সদরে মারুফ আহমেদ বিজন, জামালপুরের সরিষাবাড়িতে ফরিদউদ্দিন তালুকদার, দিনাজপুরের কাহারুলে মামুনুর রশিদ চৌধুরী, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে নুরুল আমিন, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় তৌহিদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে তোজাম্মেল হক তোজা, কুষ্টিয়া সদরে জাকির হোসেন, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে মাসুদার রহমান, ধুনটে তৌহিদুরল আলম মামুন, মানিকগঞ্জের শিবালয়ে আলী আকবর, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মো. নজির হোসেন, রাজশাহীর মোহনপুরে অধ্যাপক আবদুস সামাদ, মাগুরায শ্রীপুরে বদরুল আলম হিরো, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে করিমগঞ্জে সাইফুল ইসলাম সুমন। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আব্দুর রহমান, দিনাজপুরের কাহারোলে মামুনুর রশীদ চৌধুরী ও খানসামায় সহিদুজ্জামান শাহ, কুড়িগ্রামের উলিপুরে হায়দার আলী, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ফারুক কবির আহমেদ, নওগাঁর রানীনগরে আবু ফারুক জেমস, মহাদেবপুরে আবদুস সাত্তার, নাটোরের সিংড়ায় আবুল কালাম আজাদ, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আয়নুল হক, ঝিনাইদহ সদরে সমর্থিত আব্দুল আলীম, জামালপুর সদরে আমজাদ হোসেন, সরিষাবাড়িতে ফরিদ-উল-কবির তালুকদার, নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া, ঢাকার নবাবগঞ্জে খন্দকার আবু আশফাক, দোহারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল হুদা, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় খন্দকার আজিজুর রহমান, নরসিংদীর বেলাবতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আহসান হাবীব, রাজবাড়ী সদরে এম এ খালেক, সিলেটের বিশ্বনাথে সোহেল আহমেদ চৌধুরী, গোয়াইনঘাটে আব্দুল হাকিম, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মাহবুবুল হক।
[b]জামায়াত:[/b] বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন খুলনার কয়রায় আ খ ম তমিজউদ্দিন, বগুড়ার ধুপচাচিয়ায় আবদুল গনি মণ্ডল, নন্দিগ্রামে নুরুল ইসলাম মণ্ডল, শেরপুরে দবিবুর রহমান, পাবনার আটঘড়িয়ায় জহুরুল ইসলাম খান, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাওলানা তাজুল ইসলাম, নীলফামারীর জলঢাকায় আলহাজ সৈয়দ আলী, পঞ্চগড়ের বোদায় শফিউল্লাহ, পাবনার সাঁথিয়ায় মোখলেসুর রহমান।
[b]স্বতন্ত্র:[/b] বিজয়ী একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন রংপুরের তারাগঞ্জে আনিসুর রহমান লিটন।
[b]স্থানভেদে প্রাপ্ত ফলাফল:
রংপুর: [/b]তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছুর রহমান লিটন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২৫ হাজার ৯শ ৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামসুল কাদের পেয়েছেন ১৬ হাজার ৮শ ৭৬ ভোট। [b]
রাজবাড়ি: [/b]সদরে বিএনপির এম এ খালেক, বালিয়াকান্দিতে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ ও পাংশায় আওয়ামী লীগের ফরিদ হাসান বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।[b]
গোপালগঞ্জ: [/b]কাশিয়ানীতে কোনো দলীয় সমর্থন ছাড়া জানে আলম নির্বাচিত হয়েছেন।[b]
মানিকগঞ্জ: [/b]শিবালয় উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- আলী আকবর (বিএনপি), ভোট পেয়েছেন ৪১৫৪৯টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রহিম খান (আ.লীগ) ভোট পেয়েছেন ৩৩৭৫৬টি।
দৌলতপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- তোজাম্মেল হক তোজা (বিএনপি), ভোট পেয়েছেন ৪৫১৪৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল ইসলাম রাজা (আ.লীগ) ভোট পেয়েছেন ২৯৮৭৪টি। সাটুরিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- বশির উদ্দিন ঠান্ডু (বিএনপি), ভোট পেয়েছেন ৩৩৫৮৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মজিদ (আ.লীগ) ভোট পেয়েছেন ৩১২৬৬টি।[b]
রাজশাহী: [/b]মোহনপুর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৩৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮১২ ভোট।[b]
নীলফামারী: [/b]জলঢাকায় জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ আলী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত শহিদ হোসেন রুবেল।[b]
ঝিনাহদহ: [/b]শৈলকুপা উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- শিকদার মোশাররফ (আ.লীগ), ভোট পেয়েছেন ২৯৩৬৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাকিবুল হাসান খান (বিএনপি) ভোট পেয়েছেন ২৩২০১টি।
[b]জামালপুর:[/b] সরিষাবাড়ী উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- ফরিদুল কবীর তালুকদার (বিএনপি), ভোট পেয়েছেন ৭৩৬৯৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গিয়াস উদ্দিন পাঠান (আ.লীগ) ভোট পেয়েছেন ৬১৪০৩টি।
[b]কুষ্টিয়া[/b]: সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- জাকির হোসেন সরকার (বিএনপি), ভোট পেয়েছেন ১০৬২৯৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এএএফএম আমিনুল (আ.লীগ) ভোট পেয়েছেন ৬৩৩০০টি।
ভেড়ামারা উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন- তোহিদুল ইসলাম (বিএনপি), ভোট পেয়েছেন ৩৮২৯৪টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু বক্কর সি্দ্দিক(আ.লীগ) ভোট পেয়েছেন ২৫৮২৬টি।[b]
পাবনা[/b]: সুজানগর উপজেলা নির্বাচনে আ. লীগের আবুল কাশেম ৮০ হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাজারী জাকির হোসেন ১৫ হাজার ১০৫ ভোট পেয়েছেন। ভোট শুরু হওয়ার পর হাজারী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
[b]পাবনা[/b]: আটঘড়িয়া উপজেলায় পরিষদে জামায়াত-সমর্থিত জহুরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি আওয়ামী লীগ-মসর্থিত শহীদুল ইসলামকে হারিয়েছেন।
[b]খাগড়াছড়ি: [/b]মানিকছড়িতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্র্যাক মারমা জয়ী হয়েছেন।তিনি বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রবিউল ফারুককে হারিয়েছেন।
[b]দিনাজপুর[/b]: বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী মামুনুর রশীদ চৌধুরী মামুন কাহারোল উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোপেশ চন্দ্র।
[b]কিশোরগঞ্জ: [/b]করিমগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম সুমন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদকে হারিয়েছেন।
[b]কিশোরগঞ্জ: [/b]নিকলী উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাইফুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি বিএনপি-সমর্থিত বদরুল মোমেনকে হারিয়েছেন।
[b]খাগড়াছড়ি: [/b]রামগড় উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত শহীদুল ইসলাম ভুইয়া জয়ী হয়েছেন।
[b]বগুড়া: [/b]দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাচনে ১৯-দলীয় জোট-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।চেয়ারম্যান পদে জামায়াত নেতা আবদুল গনি মন্ডল (আনারস) ৫৮ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়েছেন।নিকটতম প্রার্থী কল্যাণ প্রসাদ পোদ্দার (কাপ পিরিচ) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৮৪ ভোট।
[b]দিনাজপুর[/b]: খানসামা উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী শহীদুজ্জামান শাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি আওয়ামী-সমর্থিত ওয়াকার্স পার্টির মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরিকে হারিয়েছেন।
[b]কিশোরগঞ্জ[/b]: বাজিতপুর উপজেলার বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এ উপজেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী ছরওয়ার আলম বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীকে প্রায় আট হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ছরওয়ার আলম ৫০ হাজার ১৬০ ভোট পান। তাঁর নিকটতম কাউয়ুম খান কাপ-পিরিচ প্রতীকে নির্বাচন করে ৪২ হাজার ৩৯৪ ভোট পেয়েছেন।
[b]খুলনা: [/b]কয়রা উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের আ খ ম তমিজউদ্দিন। তিনি ৫৩ হাজার ৬৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মহসিন রেজা পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৭১ ভোট।
[b]খুলনা[/b]: দীঘলিয়ায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত খান নজরুল ইসলাম ২২ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির সাইফুর রহমান পেয়েছেন ২২ হাজার ২২৭ ভোট। তবে নজরুল ইসলাম ৪৯ কেন্দ্রের ফলে বিজয়ী হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
[b]শরীয়তপুর[/b]: জাজিরা উপজেলায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মোবারক আলী সিকদার। তিনি পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৬০৫ ভোট। তার নিকটতম বিএনপি-সমর্থিত নুরুল ইসলাম আজাদ ৯২২ ভোট পেয়েছেন।
ডামুড্যা উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আলমগীর হোসেন মাঝি। তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ১১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম বিএনপি-সমর্থিত ফজলুল করিম মিয়া ১৩ হাজার ৩৬৮ ভোট পেয়েছেন।
এদিকে অসমির্থত সূত্রে জানা গেছে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে বিএনপি-সমর্থিত আনোয়ার হোসেন বেসরকাবিভাবে জয়ী হয়েছেন।
[b]ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // কে বি/এফএ[/b]
শ্রেণীহীন
বিএনপি-৪৩, আ.লীগ-৩৪, জামায়াত-১৩, জাপা-১, অন্যান্য-৫
চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনে প্রথম দফায় অনুষ্ঠিত ৯৭ উপজেলার ৯৬টির ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৩৪ উপজেলায় আওয়ামী লীগ, ৪৩ উপজেলায় বিএনপি ও ১৩ উপজেলায় জামায়াত, ১টিতে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য দল কিংবা স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৫ প্রার্থী





