[b]ঢাকা: [/b]টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে আকরিক রফতানি নিষিদ্ধ করেছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। গত শনিবার রাতে টানা ১১ ঘণ্টা ধরে খনিজ পদার্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাগিবতণ্ডার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট সুশিলো বামবাং ইউধয়োনো এ নীতিমালা চূড়ান্ত করেন।
গত রোববার থেকে আকরিক রফতানি বন্ধের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। আকরিক রফতানির ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে ইন্দোনেশিয়া। মূল্য সংযোজন করে অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের অবদান বাড়ানোর লক্ষ্যে আকরিক রফতানি নিষিদ্ধ করার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের খনিজ প্রতিষ্ঠান প্রিপোর্ট ম্যাকমোর্যান ও নিউমন্ট এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে না।
সরকার আশা করছে, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আকরিক এখন দেশেই প্রক্রিয়াজাত করা হবে। ফলে খনি থেকে আসা মুনাফার একটি বড় অংশ দেশেই থাকবে। তবে সমালোচকরা বলছেন, এর ফলে বিপুলসংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করবে কোম্পানিগুলো। পাশাপাশি রফতানি কমে যাওয়ায় দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দেশটির জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী জেরো ওয়াসিক আশ্বস্ত করে বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার খনি শিল্প সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে আমরা কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়টিও এড়াতে চাই। এছাড়া আমরা সেসব কোম্পানিগুলোকে রক্ষা করতে চাই, যারা আকরিক লোহা প্রক্রিয়াজাতকরণের চিন্তা করছে কিংবা এরই মধ্যে তা বাস্তবায়ন করেছে।’
সরকারের এ সিদ্ধান্তে এখন থেকে আকরিক প্রক্রিয়াজাত করেই রফতানি করতে হবে কোম্পানিগুলোকে। দেশটির খনি শিল্পে যে অস্থিরতা বিরাজ করছিল তা কমিয়ে আনাই ছিল এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। এ নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম বাড়বে। সেসঙ্গে পরিশোধন ও উচ্চমূল্যের ধাতু পণ্যের উত্পাদনে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ নীতিমালার একটি বিরূপ প্রভাব পড়বে অর্থনীতির ওপর। এর ফলে কয়েক বিলিয়ন ডলারের রফতানি রাজস্ব হারাতে হবে দেশটিকে। ইন্দোনেশিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এক সতর্কবার্তায় জানায়, এ নিষেধাজ্ঞায় হুমকির মুখে পড়বেন আট লাখ কর্মী।
তামা, নিকেল ও অ্যালুমিনিয়াম উত্পাদনে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্ দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া। এ নিষেধাজ্ঞায় সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গতকাল সোমবার বিভিন্ন ধাতুর মূল্য বিশেষ করে নিকেলের দাম বেড়েছে অনেকটাই। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি খনিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়তে দেখা গেছে এ সময়। এ নিষেধাজ্ঞায় এখানকার বিনিয়োগকারীরা কিছুটা সুফল ভোগ করবেন— এ প্রত্যাশায় দাম বেড়েছে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের। সূত্র: নিউজ এশিয়া।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর
[/b]
শ্রেণীহীন
আকরিক রফতানি নিষিদ্ধ করল ইন্দোনেশিয়া
ঢাকা: টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে আকরিক রফতানি নিষিদ্ধ করেছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। গত শনিবার রাতে টানা ১১ ঘণ্টা ধরে খনিজ পদার্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাগিবতণ্ডার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট সুশিলো বামবাং ইউধয়োনো এ নীতিমালা চূড়ান্ত করেন।





